নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: ছিলেন থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি, হতে পারতেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, কিন্তু শেষতক পেলেন তারা জেলা আওয়ামীলীগের কমিটির কার্যকরী সদস্য পদবী। তাই থানা আওয়ামীলীগের একজন সভাপতির জন্য সদস্য পদ প্রাপ্তি মানে ‘প্রমোশন’ নাকি ‘ডিমোশন’, তারই হিসেবেই এখন মিলাতে পারছেন না তৃণমূল নেতৃবৃন্দ।
কেননা, নারায়ণগঞ্জ জেলায় সাতটি থানা আওয়ামীলীগের কমিটি রয়েছে। যার মধ্যে ইতিমধ্যেই গত ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর ঘোষিত মহানগর আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সদর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন মন্ডল এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ মজিবুর রহমানকে কার্যকরী সদস্য পদে রাখা হয়।

তাই বাদ পড়া ৫ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতিকে এবার জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কার্যকরী সদস্য পদ দেয়া হয়েছে।

গত ২৫ নভেম্বর রাতে জেলা আওয়ামীলীগের ৮১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যেখানে দেখা যায়, ৩৫ সদস্যের কার্যকরী সদস্যের মধ্যে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ¦ এম সাইফুল্লাহ বাদল, আড়াইহাজার থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহজালাল মিয়া, রূপগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন মোল্লা, সোনারগাঁ থানা আওয়ামীলীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম ভূঁইয়া ও বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ এম এ রশীদ কে রাখা হয়েছে।

অথচ, গত বছরের ৯ অক্টোবর আব্দুল হাইকে সভাপতি, ডা: সেলিনা হায়াত আইভীকে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও এড. আবু হাসনাত মো: শহিদ বাদলকে সাধারন সম্পাদক করে জেলা আওয়ামীলীগের আংশিক কমিটির ঘোষিত হওয়ার পর জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে থানা আওয়ামীলীগের সভাপতিদের সহ-সভাপতি পদে রাখার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তখন বেশীরভাগ সভাপতিই থানার ক্ষমতা ছেড়ে জেলা কমিটির সহ-সভাপতির পদে থাকতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।

ফলশ্রুতিতে থানা আওয়ামীলীগের সভাপতিদের বাদ দিয়ে সহ-সভাপতি হিসেবে অন্যান্য নেতাদের নাম জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির খড়সা তালিকায় নারায়ণগঞ্জ থেকে কেন্দ্রে প্রস্তাব প্রেরন করা হয়। তারপর দীর্ঘ এক বছর যাচাই বাছাই শেষে দলয়ি সভাপতি শেখ হাসিনা গত ২৫ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here