নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ঐক্যফ্রন্টের অচেনা প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে জেলা সভাপতি মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর ব্যাপারে কয়েকদিন যাবত সমালোচনা করে আসলেও এবার তাঁরই সাথে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী নাগরিক ঐক্যের উপদেষ্টা ও আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি এস এম আকরামেরও কঠোর সমালোচনা করলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের আওয়ামীলীগের প্রার্থী শামীম ওসমান ।
শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে বন্দর সমরক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের মহাজোটের প্রার্থী সেলিম ওসমানের পক্ষে বন্দর থানা আওয়ামীলীগ আয়োজিত নির্বাচনী সভায় বক্তব্যকালে তিনি নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনের মধ্যে ধানের শীষের মনোনয়ন পাওয়া ঐক্যফ্রন্টের এই দুই প্রার্থীরই সমালোচনা করেন।

এস এম আকরামকে উদ্দেশ্য করে এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, ‘আকরাম সাহেব আপনাকে বলছি এ জেলাতে শুধু আপনি একা জন্ম নেননি। আরো অনেকে জন্ম নিয়েছেন। বিএনপির ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করে এস এম আকরামকে মনোনয়ন দিয়েছে। বিএনপির নেতারা কার পেছনে থাকবেন? যার পেছনে থাকবেন তারে তো নির্বাচনের পরদিনই আর পাইবেন না। তিনি চলে যাবেন উত্তরা ক্লাবে মদ খেতে। মদুদীর কাজ মদ খাওয়া। তাই আকরাম সাহেব আমাদের খোঁচা দিবেন না। ভীমরুলের চাকে খোঁচা দিলে টিকতে পারবেন না।’

তিনি তাঁর আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর সমালোচনা করে শামীম ওসমান আরও বলেন, ‘আজকে যদি কালাম সাহেব মনোনয়ন পাইতো মনে করতাম একজন রাজনৈতিক লোক মনোনয়ন পাইছে। কিন্তু আমার লজ্জা লাগে বিএনপির মতো একটা দল কালাম সাহেব, তৈমূর আলম, গিয়াস উদ্দিনকে লাথি মেরে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। আর ফতুল্লায় মনোনয়ন দিছে এক জঙ্গি প্রার্থীকে।’

বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মহাজোটের প্রার্থী ও বর্তমান এমপি সেলিম ওসমান, সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপি এড. হোসনে আরা বাবলী, আওয়ামীলীগের জাতীয় কমিটির সদস্য এড. আনিসুর রহমান দিপু, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক এড. আবু হাসনাত মো: শহীদ বাদল, মহানগর আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি চন্দন শীল, সহ-সভাপতি কমান্ডার গোপিনাথ দাস, সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা, যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আবু জাহের, মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক সানাউল্লাহ সানু, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ দুলাল প্রধান, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত আলম সানী প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here