নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মী সুমন হত্যার প্রধান আসামী আন্ডা রফিককে বাঁচানোর জন্য নিহতের পরিবারের এক অংশ আসামীদের চাপের মুখে টাকার বিনিময়ে মিথ্যাচার শুরু করছে বলে জানিয়েছেন নিহত সুমনের বাবা মনু মিয়া।
মনু মিয়ার দাবি, সুমনের শ্যালক এবং শ্বাশুড়ি কাজল রেখা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে রফিকের সাথে আপোষ করে চলছে। তারা আসামীদের বিচার দাবি না করে, উল্টো আসামীদের বাঁচানোর জন্য পুলিশকে জড়িয়ে মিথ্যাচার শুরু করছে।

নিহত সুমনের শ্যালক রুহুল একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে এক স্বাক্ষাত কারে রূপগঞ্জের একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে জনপ্রিয় ব্যাক্তি হিসেবে উল্লেখ করায় রূপগঞ্জের জনসাধারণের মনে প্রশ্ন জাগে ভূমিদস্যু আন্ডা রফিক কিভাবে জনপ্রিয় হয়? যার অত্যাচারে রূপগঞ্জ বাসী অতিষ্ঠ হয়ে বার বার মানববন্ধন করেছেন।

কাজল রেখা একাধিকবার সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছেন আন্ডা রফিক তার জামাতাকে হত্যা করেছে।

নিহতের স্ত্রী বলেছেন, তার স্বামীকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে।

এখন প্রশ্ন জাগে ঐ বেসরকারি টিভি চ্যানেলে তারা কোন তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় সাংসদ গোলাম দস্তগীর গাজীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার শুরু করছেন?

নিহত সুমনের পরিবারের দাবি, সুমনের সাথে কাজল রেখার মেয়ের বিবাহের পর থেকেই পারিবারিক দ্বন্দ শুরু হয়। কাজল রেখা টাকার লোভে নিহত সুমনের স্ত্রীকে বিদেশে পাঠিয়ে দেন। কাজল রেখার মেয়ে (নিহতের স্ত্রী) তার ৭ মাসের শিশু সন্তানকে ফেলে রেখে বিদেশে গিয়ে পাড়ি জমান। সুমনকে যখন হত্যা করা হয় তখন তার স্ত্রী বিদেশে ছিলেন। বিদেশ থেকে দেশে ফিরে নিহতের স্ত্রী সুমনের পরিবারের সাথে কোন প্রকার আলোচনা ছাড়াই এমন কি তার কবর জিয়ারত না করেই, আসামীদের বিচার না চেয়ে আসামীদের বাসায় গিয়ে তাদের সাথে আতাঁত করে চলছে।

রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ইঞ্জি. শেখ মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি চক্র গোলাম দস্তগীর গাজীর জনপ্রিয়তার কাছে হার মেনে এখন তারা মিথ্যাচার শুরু করছে। তাতে আমাদের দলের ভাবমূর্তি নষ্ঠ হচ্ছে। পুলিশের সাথে সরকারের দূরুত্ব সৃষ্টি করার জন্য আন্ডা রফিক ও কিছু হাইব্রীড নেতারা বিএনপি জামায়াতের সাথে জোট বেধে নতুন করে রূপগঞ্জে মিথ্যাচার শুরু করছে। আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি ভূমিদস্যু রফিকের বিচারের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি হোক।

স্বেচ্ছাসেবকলীগের দাবি, সে দিন সুমন আমাদের সাথে অবস্থান কর্মসূচিতে ছিলেন কার গুলিতে সুমন নিহত হয়েছে আমরা তা দেখেছি সেই অভিযোগের উপর ভিত্তি করে থানায় মামলা হয়েছে।নিহতের স্ত্রী এবং শালক রুহল ঘটনা স্থলে ছিলেন না তারা টাকার কাছে বিক্রি হয়ে এখন আমাদের স্থানীয় সাংসদের নামে মিথ্যার করছে। আমরা সুমন হত্যার প্রধান আসামী রফিক সহ বাকীদের ফাসি চাই। নিহত সুমনের বাবা মনু মিয়া জানান ,আমার ছেলের লাশ টাকার লোভে কাজল রেখা ও তার মেয়ে বিক্রি করে দিয়েছে। আমি আমার ছেলে হত্যার আসামীদের বিচার চাই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here