নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: নারায়ণগঞ্জ মহানগর মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের কর্মচারী সুমন সরকারকে পেটানোর প্রতিবাদে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এড. আবু হাসনাত মো: শহিদ বাদলের বিচার দাবীতে মানববন্ধন করেছেন আদালতের ৭০ জন কর্মচারী।
রবিবার (২৮ মে) সকালে নারায়ণগঞ্জ মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের এজলাসের বাহিরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এই সময় আদালতের কর্মচারীদের সাথে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে সংহতি প্রকাশ করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান। তবে সরকারী কর্মচারী হওয়ার স্বার্থে মানববন্ধনে অংশ গ্রহনকৃত কর্মচারীরা তাদের নাম গণমাধ্যমে প্রকাশে অনীহা প্রকাশ করেন।


মানববন্ধনে অংশ নেয়া কর্মচারীরা ভিপি বাদলের বিচার দাবী করে সুমন সরকারকে মারধরের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানান।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মে হেফাজতে ইসলামীর মহানগর সমন্বয়ক ফেরদাউসুর রহমানের দায়ের করা ধর্ম অবমাননা মামলায় সাংস্কৃতিক ব্যাক্তি রফিউর রাব্বীর হাজির হওয়ার দিন ধার্য ছিল। সেইলক্ষে সেদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই আদালত প্রাঙ্গেনে অবস্থান করছিলেন আওয়ামীলীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মহানগর মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের কর্মচারী সুমন সরকার মোটরসাইকেল নিয়ে আদালতপাড়ায় কর্মস্থলে আসেন। তখন আদালত প্রাঙ্গনে অবস্থানরত জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এড. আবু হাসনাত মো: শহিদ বাদলকে সাইড দিতে সুমন হর্ন বাজায়। এসময় সুমনের মোটরসাইকেলের সামনের চাকা বাদলের পায়ের মধ্যে সামান্য লাগলে এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ভিপি বাদল সুমনকে মারধর করেন।

একপর্যায়ে আওয়ামীলীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরাও সুমনকে বেধড়ক পেটান। এরপর এই সংবাদ গনমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়।

সুমন সরকার বলেন, ‘আমি মোটরসাইকেলের হর্ন বাজালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোহাম্মদ বাদলসহ তার লোকজন আমাকে এলোপাথাড়ি কিল ঘুষি মারতে শুরু করে। কিছু বুঝের ওঠার আগেই আমাকে মোটরসাইকেল থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে আনে। এক পর্যায়ে উনি (ভিপি বাদল) আমাকে কিল ঘুষি লাথি মেরে পেটাতে থাকেন।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here