নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: প্রত্যাশার চেয়ে নারায়ণগঞ্জবাসীকে বেশী কিছুই দিয়ে যাচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো: মঈনুল হক পিপিএম। গত বছর আগষ্টেই শিল্প নগরীতে দায়িত্ব গ্রহনের পর এক সংবাদ সম্মেলনে নিজেই পরিচিতি সভায় ঘোষনা দিয়েছিলেন, শীঘ্রই নারায়ণগঞ্জ কে তিনি মাদক ও সন্ত্রাসী মুক্ত করবেন।
ঠিক তেমনি বিগত দিন গুলোতে তার দু:সাহসিক কর্মকান্ড ও একের পর এক অভাবনীয় সাফল্য তার প্রতি নারায়ণগঞ্জবাসীকে আস্থা রাখতে বাধ্য করছে বলে অভিমত সচেতন মহলের। শুধু তাই নয় মঈনুল হক পুলিশ সুপার হিসাবে যোগদানের পর থেকে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক ভালো বলে মন্তব্য করছেন জেলার সাধারন জনগন।

যেখানে অপরাধীরা এখন অপরাধ করা তো দূরের কথা, উল্টো এই চৌকস পুলিশ সুপারের আক্রমনাত্মক উদ্যোগে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে তারা। রাজধানীর নিকটবর্তী প্রাচ্যের ডান্ডিখ্যাত এই জেলায় দায়িত্ব গ্রহনের পরপরই পাল্টে গেছে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি।

আর তার সফলতায় অন্যতম একটি দৃষ্টান্ত হচ্ছে জেলার মাদকের মুকুটহীন স¤্রাট খ্যাত বন্দুক শাহীনের পতন ও রূপগঞ্জ উপজেলায় বিশাল অস্ত্রের ভান্ডার উদ্ধারসহ জড়িতদের গ্রেফতার। এছাড়াও প্রতিদিনই তালিকা ভুক্ত অনেক সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হচ্ছে।

এছাড়া নাশকতার পরিকল্পনা কারী জামায়াত শিবির কর্মীদের বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার করে এসপির নির্দেশে পুলিশ কর্মকর্তারা নারায়ণগঞ্জবাসীকে কিছুটা শান্তিতে হলেও বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছেন বলে অভিমত সচেতন মহলের।

জানাগেছে, জেলার আলোচিত দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী মাসদাইরের মনিরুজ্জামান শাহীন ওরফে বন্দুক শাহীন বিগত দিনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখে ধুলা দিয়ে জেলায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছিল। একাধিকবার আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা তার বাড়ীতে হানা দিয়েও তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কিন্তু শেষতক জেলা পুলিশ সুপার মঈনুল হকের কঠোর নির্দেশনায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মাহবুবুর রহমানের নেৃতত্বে ডিবির একটি বিশেষ টিম গত ১৩ অক্টোবর বন্দুক শাহীনকে গ্রেফতারে সক্ষম হন। কিন্তু দূভার্গ বশ:ত বন্দক শাহীনের সন্ত্রাসী বাহিনী তাকে ছাড়িয়ে নিতে ডিবির সাথে গোলাগুলিতে লিপ্ত হলে তখন বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন বন্দুক শাহীন।

আর জেলার দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী বন্দুক শাহীন নিহত হওয়ার পর পুলিশ সুপার ও জেলা ডিবির ওসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য স্থানীয় জনসাধারন মন্দির মসজিদ প্রাঙ্গনে দোয়া প্রার্থণা করেন।

এদিকে নারায়ণগঞ্জবাসী দাবি করেন, এসপি মঈনুল হক পিপিএম নারায়ণগঞ্জ এর দায়িত্ব গ্রহনের পর পরই জেলার মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রসী কর্মকান্ড অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। তাছাড়া অনেক গুলো চাঞ্চল্যকর হত্যাকান্ডসহ মামলার রহস্য উদঘাটনসহ আসামীদের গ্রেফতারে সক্ষম হয়েছে জেলা পুলিশ প্রশাসন।

আর পুলিশ সদস্যদের প্রতি মাসে কল্যাণ সভায় কৃতিত্ব স্বরূপ পুরস্কার প্রদান করে সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে পুলিশ কর্মকর্তাদের আরো বেশী উৎসাহিত করে তুলেছেন জেলা পুলিশ সুপার মো: মঈনুল হক পিপিএম, বলে মন্তব্য করেন পুলিশ সদস্যরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here