নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারনে বিপর্যস্ত জনজীবন। এ সময়ে কর্মহীন হয়ে পরেছেন অনেক লোক। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের এই দুর্দিনে খুঁজে পায়নি সংগঠনের নেতাদের। বিশেষ করে ফতুল্লা থানা বিএনপির আহবায়ক উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদ বিশ্বাস ও সদস্য সচিব শিল্পপতি নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা করোনাকালীণ সময়ে একবারের জন্যেও নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর নেননি, ফলে তাদের প্রতি ক্ষোভ জানিয়েছেন অসহায় জিয়ার সৈনিকরা।

অপরদিকে ফতুল্লা থানা বিএনপি থেকে বহিস্কৃত নেতা কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু তার এলাকার অসহায় মানুষকে সাহায্য সহযোগিতার পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রতিও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। চলমান লকডাউন কার্যক্রমে বেকার হয়ে পরা অসহায় ফতুল্লার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গোঁপনে সাহায্য সহযোগিতা করে চলেছেন বিএনপির বহিস্কৃত এই নেতা।

জানা যায়, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি ও ফতুল্লা বিএনপির সভাপতি মো: শাহ আলম জেলা বিএনপি’র সহ সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপি’র পদ থেকে পদত্যাগ করায় তার পরের দিনই জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মিলে ফতুল্লা থানা বিএনপি’র কমিটি ভেঙ্গে এড. আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাসকে আহবায়ক ও পান্না মোল্লাকে সদস্য সচিব করে একটি আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করে। কমিটি গঠনের পূর্বে কারো সাথে আলোচনা করা হয়নি উল্লেখ করে ক্ষোভ জানিয়েছেন জেলা বিএনপি’র অনেক দায়িত্বশীল নেতা। আর তৃণমূল নেতাকর্মীদেও মাঝে সুষ্টি হয়েছিলো সমালোচনার ঝড়। অবার এ কমিটির পিছনে একটি বড় অঙ্কের বানিজ্যেরও কথা বলছেন কেউ কেউ।

তড়িঘড়ি কওে গঠন করা এই আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করার পর থেকে এ পর্যন্ত কোন কর্মকান্ড তারা করতে পারেননি। দলীয় বা জাতীয় কোন ইস্যুতে তারা একত্রে হতে পারেনি কিংবা নেতাকর্মীদেও সাথে বসে কোন দিক নির্দেশনাও রাখতে পারেনি। এমনকি তারা একসাথে এ পর্যন্ত বসতে পর্যন্ত পারেনি। আর তাই নেতাকর্মীদের স্বার্থের বদলে শাহ আলমের স্বার্থ বজায় রাখতেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে ক্ষোভ জানিয়েছিলো তৃণমূল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here