নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: বুড়িগঙ্গা নদীর মধ্যে সহযোগীদের ছুরিকাঘাতে নিহত ডাকাত চাঁন মিয়া হত্যা কান্ডের রহস্য উদঘাটন ও মূলহোতাকে গ্রেফতার পূর্বক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেওয়াতে সক্ষম হওয়ায় নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এর এসআই সেলিম মিয়াকে কর্মফলের স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কৃত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো: মঈনুল হক।
গত ৭ মে দুপুরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাসিক কল্যাণ সভায় সেলিম মিয়ার হাতে পুরস্কার স্বরূপ সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেন পুলিশ সুপার।

বৃহস্পতিবার (১৮ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সেলিম মিয়া।

প্রসঙ্গত, সদর মডেল থানা পুলিশের অপারগতার পর অবশেষে দায়িত্ব প্রাপ্তির ১৮ দিনের মাথায় গত ২৭ এপ্রিল নগরীর গোগনগর এলাকায় প্রায় বছর খানেক পূর্বে সংঘটিত একটি হত্যাকান্ডের সুরাহা করেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এস আই সেলিম মিয়া।

ঐদিন দুপুরে মামলার মূল হোতা গাজীপুর জেলা জয়দেবপুর এলাকার মৃত দ্বীন ইসলামের পুত্র রমজান (৫৫) নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবিন্দ দেয়ার পর বেরিয়ে আসে গোগনগরের মৃত কাদেরের পুত্র নিহত ডাকাত মিয়া চাঁন হত্যাকান্ডের রহস্য।

গত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় গাজীপুর চৌরাস্তা হতে ডিবি পুলিশ রমজানকে গ্রেফতার করেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সেলিম মিয়া জানান, গত বছরের ১ এপ্রিল দিবাগত রাত ৪টার সময় সদর থানাধীন ডিক্রির চর বুড়িগঙ্গা নদীর মধ্যে ডাকাতির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে ডাকাত রমজান তার দলবলসহ মিয়া চানকে মাথায় রামদার ঘাড়া দিয়ো আঘাত করে ও গলা টিপে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়।

এরপর মামলা তদন্তে অপারগতা প্রকাশ করে মিয়া চানের হত্যা মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়। পরে চলতি বছরের ৮ এপ্রিল মামলাটি তদন্তের জন্য এস আই সেলিম মিয়াকে দায়িত্ব দেন ওসি মাহমুদুল ইসলাম। তারপর গত ২৬ এপ্রিল হত্যাকান্ডের মূল হোতা রমজানকে গাজীপুর থেকে গ্রেফতার করার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে বেরিয়ে আসে হত্যার রহস্য।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here