নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খানের পর এবার মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. আবুল কালামের দূর্গে এবার হানা দিয়েছে মহানগর বিএনপির প্রবীণ নেতা আব্দুল মজিদ খন্দকার।
যিনি ইতিমধ্যেই নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে (সদর-বন্দর) ‘ধানের শীষের’ প্রার্থী হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে গত ১ সেপ্টেম্বর নগরীর মন্ডলপাড়াস্থ বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য কালে আগামী সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে প্রার্থী হওয়ার ঘোষনা দেন আব্দুল মজিদ খন্দকার। যেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এড. তৈমূর আলম খন্দকার।
মজিদ খন্দকার সভায় এড. আবুল কালামকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘ঘরে বসে থেকে যারা আগামীতে এমপি নির্বাচিত হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তা কখনোই বাস্তবায়ন হবে না। তাই আগামীতে আমি সদর-বন্দর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে মনোনয়ন চাইবো।’

এরআগে, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় এড. সাখাওয়াত হোসেনের নাম চলে আসার পর থেকেই ঘুম হারাম হয়ে যায় মহানগর বিএনপির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক এমপি এড. আবুল কালামের। সাখাওয়াতকে ঠেকানোর মিশনে নেমে পরেন এই কৌশলী রাজনীতিবীদ। যার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সাখাওয়াতের আশ্রয় প্রশ্রয়ে লালিত আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে নিজের কব্জায় নিয়ে আসেন। আর টিপুকে ব্যবহার করে শুরু করেন সাখাওয়াতকে অপমান-অপদস্ত করার প্রকৃয়া। যার প্রথম ধাপে সাখাওয়াতকে ওসমান পরিবারের সাথে জড়িয়ে দুই কোটি টাকা গ্রহনের নাটক সাজানো হয়। যদিও পরে টিপু তা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হন।

তন্মধ্যেই কালামের মাথাব্যথার নতুন কারন হিসেবে আবির্ভূত হন মহানগর যুবদলের আহবায়ক ও কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। যিনি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ডের টানা তৃতীয়বারের মত কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাই আগামীতে নেতাকর্মীদের সমর্থন পেলে তিনিও সদর-বন্দর আসন থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করার অভিমত ব্যক্ত করেন।

নারায়ণগঞ্জ বিএনপি’র তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক সাংসদ এড. আবুল কালামের সামেন এতোদিন প্রতিদ্বন্দী হিসেবে ছিলেন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি দলীয় মেয়র প্রার্থী মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান।

কিন্তু এখন আবুল কালামের গোদের উপর বিষফোঁড়া হিসেবে দাঁড়িয়েছেন নাসিক ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মহানগর যুবদলের আহবায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ এবং মহানগর বিএনপি নেতা আব্দুল মজিদ খন্দকার।

তাই কালামের দূর্গে এখন সর্বশেষ মজিদ হানা দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here