নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: ফতুল্লার কুতুবপুরের শরীফবাগে ডিবি পুলিশের সোর্স পারভেজের ডান চোখ উপড়ে দিয়েছে মাদক বিক্রেতা রহমান, এনামুল, আকবর, লিখনসহ ৭/৮ জন ব্যাক্তি।
শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারী) রাত প্রায় পৌনে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মারাত্মক আহত মাসুদ পারভেজকে রাত ১১টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে রহমান ও তার সহযোগীরা।

জানাগেছে, আহত মাসুদ পারভেজ ফতুল্লা মডেল থানা ও ডিবি পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করে। প্রায় ১ বছর আগে কুতুবপুরের আকন গলির মাদক বিক্রেতা রহমানের ভাই সজলকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যদের দিয়ে গ্রেফতার করিয়েছিল। এরপর থেকে মাদক বিক্রেতা রহমান সোর্স পারভেজের উপর ক্ষিপ্ত ছিল। শনিবার পারভেজের কাছে তথ্য ছিল যে, আকন গলিতে বড় ধরনের মাদকের চালান আসছে। সংবাদটি জেলা ডিবি পুলিশের এসআই রবি চৌহানকে দিয়েছিল পারভেজ।

সে অনুযায়ী শনিবার সকাল থেকে পারভেজ আকন গলিতে অবস্থান করছিল। রাত প্রায় ৮ টার দিকে আকন গলিতে মাদক বিক্রেতা রহমান, এনামুল, আকবর, লিখনসহ ৭/৮ জন পারভেজকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। এরপর তারা পারভেজকে মারধর করে। এক পর্যায়ে মাদক বিক্রেতা রহমান পারভেজকে মাটিতে ফেলে তার ডান হাত দিয়ে পারভেজের দুই চোখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দেয়। একপর্যায়ে পারভেজের ডান পাশের চোখ আঙ্গুল দিয়ে তুলে ফেলে রহমান।

এরপর মারাত্মক আহত পারভেজ ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে শরীফ বাগ পঞ্চায়েত সামনে কমিটির সামনে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে সংবাদ দেয়। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে রহমান ও তার সহযোগীরা ।

মারাত্মক আহত পারভেজ মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদীখান থানার ছোট পালদিয়া গ্রামের আবুল হোসেন মল্লিকের ছেলে। সে কুতুবপুরের মোহাম্মদ বাগের আসাদ মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মুজিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে একজন অফিসার পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here