নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: বহুদিন পর রাজধানীতে সমাবেশ করতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। আর সেই সমাবেশে লোক সমাগম ঘটাতে নারায়ণগঞ্জের নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন মহাসচিব।
তাই খালেদা জিয়ার সমাবেশে জনশক্তির জানান দিতে এখন নানা ভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি। সমাবেশে জেলা ও মহানগরের সকল ইউনিটসহ যুবদল, স্বেচ্ছা সেবকদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠনের থেকে ব্যাপক লোকের সমাগম করার টার্গেট রয়েছে শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দদের। এই লক্ষ্যে তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের সাথে করা হচ্ছে প্রস্তুতি মূলক সভা।

কেননা, সামনেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আর তার পূর্বে বহুদিন পর একটি সমাবেশে ব্যাপক লোক সমাগম ঘটিয়ে সরকারকে বিএনপির জনসমর্থন দেখানোটাও একটি ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারন, সম্প্রতি আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যে বলেছিলেন, ‘বিএনপি সাংগঠনিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়লেও তাদের জনসমর্থন বেশী আছে।’

তাই তো জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আগামী ১২ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশে ব্যাপক লোক সমাগম ঘটাতে দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে বলে জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা।

কারন, ১২ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে ডিএমপির মৌখিক অনুমতি পাওয়ার পরেই এ সমাবেশকে সফল করতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির সভাপতি সাধারন সম্পাদককে ঢাকায় তলব করেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এরপর তিনি সমাবেশে লোক সমাগম ঘটাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সবুর খান সেন্টুকে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন।

এরপর থেকেই ঢাকার সমাবেশে জনশক্তির জানান দেয়াটাকে এখন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দরা। তারা বিএনপি চেয়ারপার্সনের সম্প্রতি কক্সবাজার রোহিঙ্গা শিবিরে যাত্রাপথে নারায়ণগঞ্জের মহাসড়কে দাঁড়িয়ে ব্যাপক লোক সমাগমের মাধ্যমে নেত্রীকে স্বাগত জানিয়ে যেভাবে খালেদা জিয়ার নজর কেড়েছিলেন, ঠিক তেমনি আগামী ১২ নভেম্বরের সমাবেশও নারায়ণগঞ্জ থেকে বিপুল লোক সমাগম ঘটিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনের নজর কাড়তে চান জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দরা।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডিকে জানান, ‘নারায়ণগঞ্জে বিএনপির যে জনসমর্থণ আছে, আমরা সেটা ১২ নভেম্বরের সমাবেশে প্রমাণ করবো। বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে আমরা সমাবেশে যোগদান করবো।’

মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক এটিএম কামাল জানান, ‘আগামী ১২ নভেম্বরের সমাবেশে মহানগর বিএনপির প্রতিটি ইউনিট থেকে প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে যোগদান করা হবে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here