নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: বিএনপির পদধারী নেতা বটেন তারা। খোদ দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জন্যও একত্রে রাজপথে নামতে পারেন নি নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির আংশিক কমিটির পদধারী মাত্র ৪৭ জন নেতা।
যার ফলে জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃত্বে থাকাদের অযোগ্যতা আবারও প্রমাণিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। পদ পেয়ে আন্দোলনের পরিবর্তে ঘরে থাকা এই সকল নেতাদের কমিটি থেকে পদচ্যুৎ করার দাবীও করেছেন তারা।

জানাগেছে, কুমিল্লায় একটি নাশকতার মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এর প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জে প্রেস ক্লাবের সামনে সকাল ১০ টায় মহানগর বিএনপি এবং বিকেল ৩ টায় জেলা বিএনপি প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করে।

কিন্তু পৃথক ভাবে অনুষ্ঠিত দু’টি সমাবেশে অত্যন্ত পক্ষে দলীয় চেয়ারপার্সনের জন্য প্রতিবাদ জানাতে তৃণমূল নেতৃবৃন্দ জেলা ও মহানগর বিএনপির আংশিক কমিটির ৪৭ জন নেতার উপস্থিতি থাকার প্রত্যাশা করলেও সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ১৯ জন নেতৃবৃন্দ।

যার মধ্যে মহানগর বিএনপির আংশিক কমিটির ২৬ জনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ১০ জন। এরা হলেন, মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক এটিএম কালাম, সহ-সভাপতি এড. জাকির হোসেন, সহ-সভাপতি হাজী নুরু উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, আব্দুস সবুর খান সেন্টু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আওলাদ হোসেন, মনিরুল আলম সজল, কোষাধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান মনির, দপ্তর সম্পাদক হান্নান সরকার।

আর জেলা বিএনপির ২৩ জনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৯ জন। এরা হলেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বিশ^াস, আবু জাফর, আবদুল হাই রাজু, মনিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুকুল ইসলাম রাজিব, জাহিদ হাসান রোজেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার।

তাই দলীয় কর্মসূচীতে আংশিক কমিটিতে পদ প্রাপ্তদের অনুপস্থিতি কি জেলা ও মহানগর সভাপতি/ সাধারন সম্পাদকের ব্যর্থতা নাকি পদ আকড়ে বসে থাকলেও সেই পদধারীদের রাজপথে নামতে অনীহা? এমনই অনেক প্রশ্নের উদ্রেগ হয়েছে তৃণমূলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here