নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দি সত্বেও বাংলা নববর্ষ উদযাপনে মেজবানীর আয়োজন করে সমালোচিত এড. তৈমূর আলম খন্দকার বেফাঁস মন্তব্য করে ফের সমালোচনার জন্ম দিলেন।
নেত্রী জেলখানায় বন্দী, এমন অবস্থায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠান করা সমুচিত কী না জানতে চাইলে রবিবার (১৫ এপ্রিল) খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এড. তৈমূর আলম খন্দকার এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘নেত্রী জেলে দেইখা কি পোলা হওয়া বন্ধ রইছে মাইনষের? বউ লইয়া শোয়া বন্ধ রইছে? বিয়া হওয়া বন্দ রইছে! নেত্রী জেলে বলেই নেত্রীর জন্য দোয়া করা হইছে। নেত্রীর জন্য দোয়া করেই এরপর শুরু করছি।’

তিনি বলেন, ‘বর্ষবরণ অনুষ্ঠান উদযাপন যার যার খুশি। এটা আমার খুশি আমি বাঙালী এবং আমি মুসলমান। দু’টোকেই আমি সম্মান করি। আমি পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করি। তারপর বন্ধু বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনসহ গোটা গ্রামবাসীকে দাওয়াত করি। কেউ যায় তো কেউ যায় না। এতে যদি কারো বিষ উঠে তো বিষ উঠুক গা। আমার অসুবিধা নাই।’

তৈমূর আরো বলেন, ‘আমার মাইয়ার বিয়ার মইধ্যে বাংলাদেশের বড় বড় নেতারা আইছে। কাদের সিদ্দিকী আইছে। বদরুদ্দোজা চৌধুরী আইছে। বড় বড় নেতারা তোফায়েল আহমেদও আইছে। পারিবারিক অনুষ্ঠানে তো আইতেই পারে।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের মনোনয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আগে আমার নেত্রী বার হউক তারপর সিদ্ধান্ত নিব। আমি খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচনে যাবো না। আমি মুক্ত খালেদা জিয়া চাই এবং মুক্ত তারেক জিয়া চাই। এর বাইরে আমি নির্বাচন করুম না। এর আগে কোন নির্বাচন নাই। এদেশে নির্বাচন হইতেই দিমু না। আগে মুক্ত হবে তারপরে নির্বাচন।’

উল্লেখ্য, বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ উপলক্ষ্যে গত ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন রূপগঞ্জের রূপসীতে পারিবারিক ঐতিহ্য অনুযায়ী এবছরও প্রায় ২০ হাজার লোকের মেজবানীর আয়োজন করেন এড. তৈমূর আলম খন্দকার।

আর দুর্নীতির মামলায় সাজা প্রাপ্ত হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারী থেকে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া এবং নাশকতার মামলায় ছোট ভাই নাসিক ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মহানগর যুবদল আহ্বায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ কারাবন্দি থাকা সত্বেও বর্ষবরণে মেজবানী উৎসব করায় তীব্র সমালোচিত হন এড. তৈমূর আলম খন্দকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here