নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: স্কুলের দূর্নীতি তদন্তে এসেছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: ছরোয়ার হোসেন। তা জানতে পেরে আগে থেকেই স্কুল প্রাঙ্গনে স্বজনদের নিয়ে মেয়ের আত্মহত্যার প্ররোচনাকারী অভিযুক্ত স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল জব্বার ও কো-অপ্ট সদস্য জানে আলম এর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করতে দাঁড়িয়ে ছিলেন উক্ত স্কুলের আত্মহননকারী নবম শ্রেনীর ছাত্রী উম্মে হাবিবা শ্রাবনীর পরিবার।

কিন্তু স্কুল চলাকালীন সময়েই ছাত্রীদের লেলিয়ে দিয়ে সেই মানববন্ধন পন্ড করে দেন অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল জব্বারসহ স্কুল প্রাঙ্গনে আনীত কো-অপ্ট সদস্য জানে আলমের বহিরাগত লোকেরা।

যা দেখে স্কুলের অভিভাবকসহ শিক্ষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আর ঘটনাটি জানতে স্কুলের দূর্নীতি তদন্তে আসা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: ছরোয়ার হোসেন দু:খ ও অভিযুক্ত শিক্ষকের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এবং এই সমস্যাটি দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকালে শহরের ডিআইটিস্থ গণবিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এই ঘটনা ঘটে।

শ্রাবনীর পিতা হাজী মো: হাবিবুল্লাহ অভিযোগ করেন, গনবিদ্যা স্কুলের ৯ম শ্রেণীতে লেখাপড়া করার সময় মেয়েদের শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল জব্বার তার মেয়েকে সকলের সামনে চুলের মুঠি ধরে টানেন এবং কান ধরেন। যার প্রেক্ষিতে তার মেয়ে অভিমান করে আত্মহত্যা করেন। এরপর স্কুলের শিক্ষক নাসরিন, কামরুল হাসান, আব্দুল জব্বার, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জানে আলম জানু, আনোয়ার হোসেন ভূইয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি।

কিন্তু বর্তমানে মামলাটি পিবিআইতে তদন্তাধীন রয়েছে। তাই দ্রুত চার্জশীট দাখিলের দাবীতে এদিন শ্রাবনীর পরিবার স্কুল প্রাঙ্গনে এসে মানববন্ধন করেছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১০ ডিসেম্বর শিক্ষকদের দ্বারা মারধরের শিকার হয়ে অপমানের জ¦ালা সইতে না পেরে আত্মহত্যা করে শহরের বাবুরাইল এলাকার হাজী মো: হাবিব উল্লাহ কণ্যা গনবিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের বালিকা শাখার ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী উম্মে হাবিবা শ্রাবনী। এরপর ঢাকা বোর্ডের থেকে তদন্ত করে গেলেও অদ্যবধি কোন বিচার না পাওয়ায় কান্না জড়িত কন্ঠে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শ্রাবনীর বাবা-মা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here