নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: শহরের গণবিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ে আর্থিক অনিয়ম তদন্তে দ্বিতীয় দিনের মত স্কুলে এসেছিলেন তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: ছারোয়ার হোসেন।
শনিবার (২৭ মে) দুপুর ১২টায় গণবিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম তদন্তে আসেন তিনি।

এ সময় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো: তোফাজ্জল হোসেন মুকুল, প্রধান শিক্ষক এম এ কাইয়ুম ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদ্য পদত্যাগকারী সাত সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।

তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের ৭টি বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদনের মধ্যে রয়েছে, অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারী/২০১৭ মাসের বেতন ও অন্যান্য ব্যায়ের লক্ষে ব্যাংক হতে  ১১ লাখ ৭৪ হাজার ৩’শ টাকা উত্তোলনে ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদন ছিল কিনা, ২০১৭ সালে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরনের উদ্দেশ্যে ১ লাখ ২ি০ হাজার টাকার ক্রয়কৃত ডায়রী টেন্ডার ও ক্রয় কমিটির মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছে কিনা। যদি হয়ে থাকে তবে উপযুক্ত প্রমানাদি টেন্ডার প্রক্রিয়ায় বর্ণনা, ২০১৬ সালের ডায়রী ২০১৭ সালেও ব্যবহার করা যাবে, এই মর্মে কার্যবিররনীতে কিছু উল্লেখ আছে কিনা। যদি থাকে তবে কার্য বিবরনীতে সেই অংশের ফটোকপি, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে বিনা বেতনে অধ্যায়নের সুযোগ আছে কিনা। যদি থাকে তবে বেতন মওকুফ এর এখতিয়ার কার তা আইন ও বিধি প্রেরন, ১ জানুয়ারী ২০০৭ হতে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সাল পর্যন্ত মোট কত টাকা বেতন বেতন মওকুফ করা হয়েছে তা বছর ওয়ারি হিসাব, অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সকল শিক্ষক কর্মচারীদের নাম, পদবী, মোবাইল নাম্বার, এমপিওভূক্ত/নন এমপিওভুক্তি, পার্ট টাইম/অস্থায়ী ইত্যাদির বিবরন এবং শ্রেনীভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত মোট শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ও তাদের শ্রেণীভিত্তিক মাসিক বেতনের পরিমান কত।

এ সময় গণবিদ্যানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষাক এম এ কাইয়ুম সকল তথ্য প্রদানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বরাবরে ৩০ দিনের একটি লিখিত আবেদন করলে মোঃ ছারোয়ার হোসেন ২ দিন সময় দেওয়া যেতে পারে বলে জানান।

উল্লেখ্য, গনবিদ্যা স্কুলের অনিয়ম দূর্নীতি তদন্তে গত ২৫ মে বৃহস্পতিবার গণবিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ে আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ ছারোয়ার হোসেন তদন্ত করতে এসে ডায়রী ক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাপক দূর্নীতির প্রমাণ পান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here