নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষন ইউনেস্কোর স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে ওসমানী ষ্টেডিয়ামে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সুরের মুর্ছনায় সবাইকে আনন্দের সাগরে ভাসালেন দেশবরেণ্য কন্ঠ শিল্পী ফকির আলমগীর, আলম আরা মিনু ও নারায়ণগঞ্জের প্রখ্যাত শিল্পী চন্দন শীল।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) সকালে এই আনন্দ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টারে অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে বিশ^ প্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভের অসামাণ্য অর্জণ উপলক্ষে দেশব্যাপী আনন্দ শোভাযাত্রার অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জে সকাল সোয়া দশটায় শুরু হয় আনন্দ শোভাযাত্রা।

শোভাযাত্রা শুরুর পূর্বে চাষাঢ়া বিজয় স্তম্ভে রক্ষিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ একেএম সেলিম ওসমান, জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া, জেলা পুলিশ সুপার মইনুল হক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে বিজয় স্তম্ভ থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়ে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ঘুরে ওসমানী ষ্টেডিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। এরপর ওসমানী ষ্টেডিয়ামে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই নারায়ণগঞ্জের কিংবদন্তি শিল্পী চন্দন শীল স্বাধীণ বাংলা বেতার কেন্দ্রের অমর গান “তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পারি দেবোরে” গেয়ে সকলকে মাতিয়ে তোলেন। এরপর তিনি তার সহ শিল্পী টুসিকে নিয়ে পরিবেশন করেন ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেতো বঙ্গবন্ধু মরে নাই’ গানটি।


এরপর মঞ্চে উঠেন দেশের প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী আলম আরা মিনু এবং পরিবেশন করেন ‘যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে লক্ষ মুক্তি সেনা’ গানটি। এরপর একে একে বেশ কয়েকটি গান গেয়ে পুরো অনুষ্ঠান মাতিয়ে রাখেন তিনি।

সবশেষে মঞ্চে উঠেন দেশের গন সংগীতের প্রবাদ পুরুষ ফকির আলমগীর। তিনি মঞ্চে ডেকে নিয়ে আসেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধেও বীর সেনানী মুক্তিযোদ্ধদের। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম ওসমানের সাথে এ সময় মঞ্চে উঠেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার এড. নুরুল হুদা, সাবেক সদর কমান্ডার শাহজাহান ভূইয়া জুলহাসসহ নারায়ণগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধারা ও নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া এবং জেলা পুলিশ সুপার মইনুল হক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here