নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: রাজধানীর পাশ্ববর্তী জেলা হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্ব হওয়ায় কেন্দ্রে বরাবরই মূল্যায়িত ছিল নারায়ণগঞ্জ বিএনপি। যার ফলশ্রুতিতে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারী জিয়া অরফানেজ ট্রআস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ ভাবে রাজপথে অবস্থানের নির্দেশনা দিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া নারায়ণগঞ্জের নেতৃবৃন্দদের গুলশানের কার্যালয়ে তলব করেন।
তারপর থেকেই খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ঘোষিতব্য দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে নেত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকার রাজপথে শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ গড়তে সকল প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন নারায়ণগঞ্জের নেতৃবৃন্দরা।

কিন্তু বিধি বাম! গত ৩ ফেব্রুয়ারী থেকে ৫ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত জেলার ৬টি থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে পুলিশের দায়েরকৃত ৭টি মামলায় নারায়ণগঞ্জ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকশ’ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ তৃণমূল পর্যায়ের প্রায় সাড়ে ৬শ’ নেতাকর্মীরা আসামী বনে যাওয়ার পাশাপাশি শীর্ষস্থানীয় অনেকে গ্রেফতার হওয়ায়, নেত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ৮ ফেব্রুয়ারী ঢাকার রাজপথে অবস্থানের লক্ষ্যে নেতাকর্মী জড়ো করাটা এখন চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

কারন হিসেবে তারা বলেন, মূলত নারায়ণগঞ্জ বিএনপিতে যারা নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন, সেই সকল হেভীওয়েট নেতাদের মধ্যে কাউকে গ্রেফতার কাউকে মামলায় আসামী করার কারনে সবাই এখন আত্মগোপনে চলে গিয়েছেন। আর শীর্ষস্থানীয় নেতারা যেখানে বিনাদোষে মামলার আসামী বনে গেছেন, সেখানে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ঢাকার রাজপথে কতটুকু থাকতে পারবেন, তা এখন দেখার বিষয়। ফলে ঐদিন দলীয় নেতাকর্মীদের সমাগম ঘটিয়ে নেত্রীর প্রতি আস্থা অর্জন করাটা এখন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির নেতৃবৃন্দের কাছে চ্যালেঞ্জিং হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

জানাগেছে, সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে গত ৪ ফেব্রুয়ারী রাতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এড. তৈমূর আলম খন্দকার, মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক এটিএম কামাল, সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর যুবদলের আহবায়ক ও নাসিক ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের আলহাজ¦ চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু, মহানগর ছাত্রদল আহ্বায়ক মনিরুল আলম সজলসহ ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০/১২ জনসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে সদর মডেল থানা পুলিশ।

সদর মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় রবিবার ও সোমবার পৃথক স্থান থেকে আটক মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব, জেলা স্বেচ্ছা সেবকদল যুগ্ম আহ্বায়ক এড. আনোয়ার প্রধান, জাতীয়তাবাদী আইজীবী ফোরাম জেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এড. মাঈনুদ্দিন, নাসিক ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইসরাফিল প্রধানকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

মামলার অন্যান্য আসামীরা হলো, শহর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর কমিশনার, সবুজ, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রানা মুজিব, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক রাশিদুর রহমান রশু, মোশারফ হোসেন রুবেল, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন মন্টি, মহানগর বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুরুজ্জামান, শহর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহম্মেদ, বিএনপি নেতা নুরুল হক চৌধুরী দিপু, দর্পন প্রধান, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মশিউর রহমান রনি, রিয়াদ হোসেন, যুবদল নেতা মাহাবুব হাসান জুলহাস, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক শাহেদ আহম্মেদ, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, আরাফাত, মহিউদ্দিন, ফারুক আহম্মেদ, রিপন ওরফে পিচ্চি রিপন, অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ খান ভাষানী, মনির হোসেন, লিখন ওরফে লিখন সরকার, রিটন দে সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১৫জন।

বন্দর থানায় নাশকতার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। গত ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারী বন্দর থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কাউন্সিলরসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ধৃতরা হলো, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান বাবুল (৪৮) বিএনপি নেতা কাবিলা (৪৭) বিএনপি কর্মী মান্নান (৩৫) ও মাছুম (২৮)।

বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক সালাহ উদ্দিন বাদী হয়ে ধৃত ৪ বিএনপি নেতাকর্মীসহ ২০ জনের নাম উল্লেখ্য করে ও ৭০/৮০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে বন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামীরা হলেন, বন্দর থানার একরামপুর এলাকার মৃত হালিম সরদারের ছেলে বিএনপি কর্মী মান্নান ও কামতাল এলাকার আলী হোসেন মিয়ার ছেলে বিএনপি কর্মী মাছুম মিয়া, নবীগঞ্জ বড়বাড়ী এলাকার সাবেক এমপি আবুল কালাম এর ছেলে ছাত্রদল নেতা কাউছার, মদনপুর এলাকার বিএনপি নেতা মাজহারুল ইসলাম ভূইয়া হিরন, গকুলদাশেরবাগ এলাকার জামায়াত নেতা ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, সোনাকান্দা এলাকার বিএনপি নেতা নূর মোহাম্মদ পনেছ, নবীগঞ্জ কবিলেরমোড় এলাকার যুবদল নেতা নাজমুল রানা, ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুলতান আহাম্মেদ, কবিলেরমোড় এলাকার সেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোস্তাকুর রহমান, পুরান বন্দর মোল্লাবাড়ী এলাকার ছাত্রদল নেতা হুমায়ন কবীর মোল্লা, দক্ষিন লক্ষনখোলা এলাকার স্বেচ্ছা সেবকদলের নেতা সাইদুর রহমান, চৌরাপাড়া এলাকার বিএনপি নেতা নেছার উদ্দিন, মালিবাগ এলাকার মনির ওরফে কালা মনির, সোনাকান্দা এলাকার জামায়াত নেতা কাজী মামুন, সালেহনগর এলাকার ছাত্রদল নেতা সাখাওয়াত হোসেন পিংকি, দেওয়ানবাগ এলাকার বিএনপি নেতা বালু মনির একই এলাকার গ্যাস কাউছার ও কুড়িপাড়া এলাকার ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুজ্জামান বাবুল ও কলাগাছিয়া এলাকার মহানগর বিএনপি সহ-সভাপতি হাজী নূর উদ্দিনসহ অজ্ঞাত ৩০/৪০ জন বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মী।

অপরদিকে, সিদ্ধিরগঞ্জেও নাশকতার অভিযোগে বিএনপি সমর্থিত নাসিকের ২ কাউন্সিলরসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে পুলিশ নাসিকের ৯নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি বাবুল প্রধানকে আটকের পর রবিবার ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

মামলার বাদী সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম।

মামলার অন্য আসামীরা হলেন, নাসিক ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিএনপি নেতা মো: ইকবাল হোসেন (৪০), ৫নং কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ সাদরিল (২৯) ও তার ভাই সানবির (২৭), যুবদল নেতা মোক্তার (৩৫), মোক্তার হোসেন (৩২), মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জুয়েল প্রধান (৪০), সোহেল (৩৫) মনিরুজ্জামান মনির (২৮), থানা বিএনপি নেতা বাবুল প্রধান (৫০) ও রওশন (৫০)। এছাড়া অজ্ঞাত ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামী করা হয়েছে।

সোনাগাঁয়ে নাশকতার অভিযোগে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

সোনারগাঁ থানায় দেড় শতাধিক বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ৪ ফেব্রুয়ারী সোনারগাঁ থানার এসআই মুজিবুর রহমান ও এএসআই এনামুল হক বাদী হয়ে দু’টি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় শনিবার রাতে আটককৃত ১০ নেতাকর্মীদের এ দুই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন আহম্মেদকে প্রধান আসামী করে ৯৪ জনকে আসামী করে সোনারগাঁ থানার এসআই মুজিবুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

অপরদিকে, সোনারগাঁ থানার এএসআই এনামুল হক রবিবার সকালে এএসআই এনামুল হক বাদী হয়ে ৮৯ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনার পর রাতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোনারগাঁ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পৌর বিএনপি নেতা নাসিম পাশা, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক হারুন-অর-রশিদ মিঠুর বাবা সোনারগাঁ পৌরসভা বিএনপির সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ, ছোট ভাই সোনারগাঁ থানা ছাত্রদল নেতা ওমর ফারুক টিটু, সোনারগাঁ থানা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নুর-এ ইয়াসিন নোবেলের বড় ভাই সোহেল মিয়া, জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান, পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সামসুল হক সরকার, সোনারগাঁ পৌর বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন, ছাত্রদল নেতা মামুন, যুবদল নেতা মহসিন ও আনিসুর রহমানকে গ্রেফতার করে।

মামলার অন্য আসামীরা হলো, ওমর ফারুক টিটু, লুৎফর রহমান মেম্বার, সোহেল, হাজী আলমগীর, আনিছ, মামুন হোসেন, মহসিন, আবুল হোসেন, শামসুল হক, খন্দকার আবু জাফর, আজহারুল ইসলাম মান্নান, নজরুল ইসলাম টিটু, হাজী মো: শাহজাহান মেম্বার, শাহ আলম মুকুল, আতাউর রহমান, আফজাল হোসেন, নিজাম উদ্দিন নিজাম, আপেল হক, নুরে ইয়াছিন নোবেল, ফারুক আহম্মেদ তপন, মজিবুর রহমান, সালাউদ্দিন সালু, সেলিম সরকার, বিদ্যুত, সেলিম, হানিফ, আলমগীর, শহিদুর রহমান স্বপন, শামীম, আমানউল্লাহ, বদরুল আলম, হানিফ, হাবিবুর রহমান হবু, কসাই রহমান, ইব্রাহিম, কামাল হোসেন, আবেদ আলী মেম্বার, শাহ আলম, টিন বাবুল, হারুন অর রশিদ মিঠু, পাপ্পু, মনির ম্বোর, গোলজার হোসেন, ডালিম, মজিবুর রহমান ভুইয়া, আমজাদ হোসেন, মান্নান রহমান রতন, আরিফুর রহমান বাবু, খোরশেদ আলম, ওসমান গনি রিতু, ফয়সাল আহম্মেদ, মনু মেম্বার, সুমন, মমিন, উজ্জল, মান্নান, রমজান, মেহারউদ্দিন, আব্দুল আলিম, শহিদউল্লাহ, মোজাম্মেল, মেহারউদ্দিন-২, আবেদ আলী, সানাউল্লাহ,মজিবুর রহমান, সাইফউল্লাহ, ইজ্জত আলী, মোশারফ, সিরাজুল হক ভুইয়া, রাসেল, আব্দুল জলিল, শরীফ সরদার, মাসুম রেজা, শাহ জালাল, লিয়াকত আলী সরদার, শাহিন, সামির, মাসুম মোল্লাহ, শফিক, আতাউর রহমান, খোরশেদ, নুরুজ্জামান, রফিকুল, কাউছার, তাজু, আমির আলী, সেলিম সরকার, কামরুজ্জামান মাসুম, ডা.খলিল, বিদ্যুত, জাকির, ইন্নত আলী, হুমায়ন, আব্দুল হাই মাস্টার, আলমগীর।

এছাড়াও রূপগঞ্জে নাশকতা পরিকল্পনা মামলায় জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-কোষাধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপু, কাঞ্চন পৌরসভার মেয়র আবুল বাশার বাদশাসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ৭৭ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রবিবার রাতে রূপগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাব্বির হোসেন বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

রবিবার ভোর থেকে বিকেলে পর্যন্ত উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৩ জনকে আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, কাঞ্চন পৌর মেয়র ও বিএনপি নেতা দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা, ঠাকুরবাড়িরটেক এলাকার মাসুদ মিয়া, পাচাইখাঁ এলাকার ই¯্রাফিল মিয়া, ভোলাব এলাকার জহির মিয়া, গুতিয়াবো এলাকার ইকবাল হোসেন, মৈকুলী এলাকার নজরুল ইসলামসহ ১৩ জন।

আর গত ৫ ফেব্রুয়ারী আড়াইহাজারে বিএনপির ২৮৬জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদকে প্রধান আসামী করে ৩৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো ২০০-২৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী আড়াইহাজার থানার এসআই আরিফ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here