নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: টিসিবি দেয় কম পণ্য আর ডিলাররা শুনে ক্রেতাদের গালমন্দ বলে দু:খ প্রকাশ করলেন জেলা নারায়ণগঞ্জ প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে টিসিবির পণ্য বিক্রয়ের ডিলার মাসফি এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মাসুদ আলম।
‘নারায়ণগঞ্জে টিসিবির পণ্য বিক্রিতে কারসাজি, ক্ষুদ্ধ ক্রেতারা’ শিরোনামে স্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার প্রেক্ষিতে তিনি এই দু:খ প্রকাশ করেন।

টিসিবির পণ্য ক্রয়ের ক্যাশ মেমো দেখিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে মাসুদ আলম বলেন, ‘টিসিবি থেকে আমাদের খেঁজুর দেয়া হয়নি। তাই খেজুর অন্যত্র বিক্রি করার তথ্য অপ্রাসঙ্গিক। কারন পণ্য তালিকায় খেঁজুর উল্লেখ থাকলেও, নারায়ণগঞ্জের ডিলারদের খেঁজুর দেয়া হয় নাই। শুধুমাত্র ঢাকায় ডিলারদের খেঁজুর দেয়া হয়েছে। আর তেলের কথা বলা হচ্ছে, ওজনটা ২’শ লিটার হলেও দৈনিক মাত্র ৪০ গ্যালন (৫ লিটার) সয়াবিন তেল বরাদ্দ দেয়া হয় আমাদের। যা কিনা পণ্য ক্রয় করতে আসা ক্রেতাদের তুলনায় খুবই নগন্য। যেই কারনে ক্রেতাদের চাহিদা স্বত্ত্বেও ৪০ জনের বেশী ক্রেতার নিকট দৈনিক তেল বিক্রি করা সম্ভব হয় না। আর অস্ট্রেলিয়ান যেই মসুর ডালটি আমাদের বিক্রির জন্য দেয়া হয়, সেটির বাজারদর কেজি প্রতি ৬০ টাকা হলেও টিসিবি ডিলারদের সেই ডাল বিক্রি করতে হচ্ছে ৮০ টাকা দরে।’

মাসুদ আলম আরো বলেন, ‘আমরা ডিলারশীপ রক্ষার জন্য রমজান মাসে এই পণ্য বিক্রি করে থাকি। কিন্তু চাহিদার তুলনায় দৈনিক বরাদ্দ অপ্রতুল হওয়ায় ক্রেতাদের পণ্য দিতে না পারলেই আমাদের উল্টো গালমন্দ শুনতে হয়।’

তবে ট্রেডিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ (টিসিবি) কর্তৃপক্ষ যদি ডিলারদের দৈনিক পণ্য বিক্রয়ের পরিমান নির্দিষ্ট করে না দিত, তাহলে পরিশ্রমের ফসল হিসেবে ডিলারদের সাথে ক্রেতাদের বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হতো না বলে দাবী করেন মাসুদ আলী।

তিনি আরো দাবী করেন, ‘আমার সেলসম্যান তেল মজুদ না থাকা প্রসঙ্গে ডিসি সাহেব জানেন বলে যেই মন্তব্যটি করেছিলেন সেটি সত্যিই বলেছিলেন। অর্থাৎ একজন ডিলার দৈনিক ৪০ গ্যালনই (২’শ লিটার) সয়াবিন তেল বিক্রি করতে পারেন, যা ডিসি মহোদয় জানেন।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here