নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: পানিসম্পদ মন্ত্রী ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম বলেছেন, ‘ডিএনডির উন্নয়ণের জন্য শামীম ওসমান উঠেপড়ে লেগেছিল। সে সবসময় আমাদের পিছন পিছন লেগে থাকতো। অথচ, আমরা ডিএনডি বাঁধের অংশটি সিটি কর্পোরেশনকে বুঝিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু জলাবদ্ধতার কারনে তারা সেটা নিতে চায়নি।’
রবিবার (১৫ অক্টোবর) সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি বাঁধ প্রকল্পের কাজ শুরুর পূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেয়ার প্রাক্কালে দুপুর ২ টায় নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি একথা বলেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীও চান ডিএনডিবাসী দ্রুত জলাবদ্ধ মুক্ত হউক। কিন্তু সিটি কর্পোরেশন ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ণ না করলে ডিএনডি প্রকল্পের সুফল মানুষ ভোগ করতে পারবেনা। তাই আমি দুই সিটির মেয়রদের সাথে কথা বলেছি। তারা সব ধরনের সহযোগিতার আশ^াস আমাকে দিয়েছেন।’

আনিসুল ইসলাম আরো জানান, ‘ডিএনডি প্রকল্পের কাজে স্বচ্ছতা ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে কাজ দেয়া হয়েছে। তবে আগামী বর্ষায় এর সুফল পাওয়া না গেলেও আগামী ২০১৯ সালের মধ্যে ডিএনডিবাসী উন্নয়ণ প্রকল্পের সুফল ভোগ করতে পারবেন। আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যেই কাজ শুরু হবে।’

এজন্য মন্ত্রী স্থানীয় সংসদ সদস্যদের এগিয়ে আসার পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।

আর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ আলহাজ¦ একেএম শামীম ওসমান বলেন, ‘আমি ২০১৪ সালে যখন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রথম সংসদে গিয়েছিলাম, সেদিন প্রথম প্রশ্নটিই ডিএনডির উন্নয়ণে পানিসম্পদ মন্ত্রীকে করেছিলাম। যদিও ডিএনডির উন্নয়ণের দায়িত্ব ছিল সিটি কর্পোরেশনের, কিন্তু আমি তা চিন্তা করি নাই। আমি দায়িত্ব কার চিন্তা না করে কিভাবে ডিএনডি বাসী জলাবদ্ধ মুক্ত করা যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করেছিলাম। তখন সাংবাদিকরা ডিএনডিবাসী দু:খ কষ্ট গণমাধ্যমে তুলে ধরছিল বলেই প্রধানমন্ত্রী দ্রুত দূর্ভোগ লাঘবে প্রকল্প পাশ করিয়েছিলেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘ডিএনডির উন্নয়ণ হলে গুলশান বনানী বারিধারাকে এই জায়গা ছাড়িয়ে যাবে।’

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ আলহাজ¦ একেএম শামীম ওসমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় আরো উপস্থিত ছিলেন, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম বীর প্রতিক, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ আলহাজ¦ লিয়াকত হোসেন খোকা, ঢাকা-৪ আসনের সাংসদ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সংরক্ষিত আসনের নারী সাংসদ সানজিদা খানম, এড. হোসনে আরা বাবলী, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ণ বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো: মাহফুজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: রাব্বী মিয়া, পুলিশ সুপার মো: মঈনুল হক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জাতীয় পরিষদের সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. আনিসুর রহমান দিপু, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই, সাধারন সম্পাদক এড. আবু হাসনাত মো: শহিদ বাদল, মহানগর আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ¦ আনোয়ার হোসেন, সাধারন সম্পাদক এড. খোকন সাহা, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল, বাংলাদেশ এ্যাথলেটিকস্ ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক ইব্রাহীম চেঙ্গিস প্রমুখ।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here