নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: মাদক নির্মূলে সদর মডেল থানার ওসি কিছুটা সক্ষম হলেও জুয়ার স্পট নির্মূলে তেমন পদক্ষেপ নিতে পারেন নি বলে আক্ষেপ করেছেন সচেতন মহল। যেই কারনে ডিবির অভিযানে আমলাপাড়াস্থ সিটি ক্লাবে পিজা শামীম পরিচালিত নগরীর অন্যতম জুয়ার স্পটে হানা দিয়ে ২১ জন জুয়ারীকে ডিবি গ্রেফতার করতে সক্ষম হলেও সদর মডেল থানার কয়েকশ গজ অদূরেই এখনো বহাল রয়েছে জুয়ার স্পট।

নগরীর কেন্দ্রীয় রেল স্টেশনের পিছনে আম গাছ তলায় প্রতিদিন প্রকাশ্যে এই জুয়ার স্পট চললেও তাতে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই প্রশাসনের। যার ফলে জুয়ার স্পট পরিচালনাকারীরা অনেকটা বীরদর্পেই বলে বেড়ান, স্থানীয় প্রশাসনসহ গণমাধ্যম কর্মীদেরও নাকি ম্যানেজ করেই তারা এই স্পট চালাচ্ছেন। যেই কারনে প্রকাশ্য দিবালোকে জুয়ার বোর্ড পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে।

সরেজমিন জুয়ার স্পটে গিয়ে দেখাযায়, আম গাছ তলায় বাঁশ ত্রিপল দিয়ে সামিয়না টানিয়ে স্থায়ী ভাবে এখানে গড়ে তোলা হয়েছে জুয়ার স্পট। রিক্সা চালক, দিনমজুর থেকে শুরু করে উচ্চ পর্যায়ের চাকুরীজীবি এমনকি ব্যবসায়ীরাও এখানে বসে জুয়া খেলছে। কেউ হাসি মুখে বাড়ি ফিরতে তো কেউ সর্বস্ব হারিয়ে দেয়ালে মাথা ঠুকছে!

স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক কয়েকটি ভাগে ভাগ হয়ে এখানে প্রকাশ্যে জুয়া খেলছে। আর জুয়ারীদের পাহাড়ায় চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকে সংঘবদ্ধ একটা দল। সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলেই পালিয়ে যেতে থাকে জুয়ারীরা, আর তাদের ম্যানেজের চেষ্টা করেন জুয়া পরিচালনাকারীরা।

স্থানীয়রা আরো জানান, পরিবহন শ্রমিক নেতা জিলানী, রিপন, রব্বানী টাকা দিয়ে রেলওয়ের এই জমিটি দখল করে। আর জুয়ার আসরটি পরচিালনা করছেন মনির, রাজা ও তপন মেম্বার নামে পরিচিত তিনজন।

তাদের দাবী, ডিবি, সদর থানা, জিআরপি, নৌ-পুলিশ ও স্থানীয় গণমাধ্যম গুলোতে নিয়মিত মাসোহারা দিয়েই এই জুয়ার আসর চলছে।

কিন্তু প্রকাশ্য দিবালোকে এখানে জুয়ার স্পট চললেও র‌্যাব, ডিবি ও থানা পুলিশ যেন তাদের দেখার ক্ষেত্রে চোখে লাগিয়েছেন কালো চমশা বলে অভিযোগ করেন সচেতন নাগরিকরা।

এব্যাপারে জানতে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর শাহীন শাহ্ পারভেজের সাথে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মুঠোফোন রিসিভ করেননি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here