নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এবার এক এএসআই কে প্রকাশ্যে লাঞ্চিত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে নারায়ণগঞ্জ সিআইডি (পরিদর্শক তদন্ত) প্রবীর কুমার সরকারের বিরুদ্ধে। এ সময় সিআইডি(পরিদর্শক) প্রবীর কুমার সরকার জেলা আদালতের প্রধান ফটকে এএসআই আবুল কলামের গেঞ্জীর কলার ধরে টানা হেচড়া করতে থাকেন।
তখন সিআইডি পরির্শক প্রবীর কুমার সরকারের এমন কার্যকলাপে ফতুল্লা মডেল থানার এএসআই আবুল কালাম আজাদের হেফাজতে থাকা ৬ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আনোয়ার কৌশলে পালিয়ে যায় বলেও জানা গেছে।

এ সময় পুলিশের সিআইডি প্রবীর কুমার সাহার এমন লংকা কান্ডের বিষয়ে তাৎক্ষনিক আদালতে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে নারায়ণগঞ্জ সিআইডি(পরিদর্শক) প্রবীর কুমার সরকার বলেন বিষয়টি ভূল বুঝাবুঝির মাধ্যমে হয়েছে।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, ‘প্রথমে আমি জানতে পারিনি আবুল কালাম আজাদ পুলিশের সদস্য। আমি ভেবেছি আজাদ আমার তদন্তাধীন মামলার বাদীকে অপহরন করে নিয়ে যাচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতেই তাৎক্ষনিকভাবে বিষয়টি ঘটে যায়। তবে এটা আমাদের মধ্যে মিমাংসা হয়ে গেছে।’

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল ১১টায় ৬ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী আনোয়ারকে ফতুল্লা মডেল থানার এএসআই আবুল কালাম আজাদ কৌশলে কোট চত্তর থেকে বাহিরে বের নিয়ে আসছিল। এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিআইডি(পরিদর্শক) প্রবীর কুমার সরকারসহ সিআইডি পুলিশের সদস্যরা আচমকা এসেই ফতুল্লা মডেল থানার এএসআই আবুল কালাম আজাদের পরিহিত গেঞ্জীর কলার ধরে টানা হেচড়া করে এবং অশালীন কথাবার্তা বলতে থাকে। এ সময় কোর্ট চত্ত্বরে থাকা লোকজন হতভম্ব হয়ে পড়েন।

সংবাদে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা বিষয়টি সিআইডি(পরিদর্শক) প্রবীর কুমার সরকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার তদন্তাধীণ একটি মামলার বাদীকে প্রতিপক্ষের লোকজন অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এমন সংবাদে তারা ছুটে আসেন এবং অপহৃত ব্যাক্তির স্ত্রীর দেখিয়া দেয়া মতে আবুল কালাম আজাদের সাথে ভূল বুঝাবুঝির ঘটনা ঘটে। সাদা পোশাকে এএসআই আবুল কালাম আজাদ থাকায় তাকে প্রথমে চিনেত পারিনি।’

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার এএসআই আবুল কালাম আজাদ জানান, ‘বিষয়টি ভুল বুঝাবুঝি। আমাদের মধ্যে মিমাংসা হয়ে গেছে।’

আর ৬ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামী পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সর্ম্পকে এএসআই আবুল কালাম আজাদ জানান, ‘বিশেষ অভিযান চলছে। বিশেষ অভিযান পরিচালনা করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা কোর্ট চত্তরে অবস্থান করি এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামী আনোয়ারকে সনাক্ত করি। আদালতের ভিতর থেকে অপর একটি মামলায় হাজিরা শেষে আনোয়ারকে কৌশলে আদালতের ভিতর থেকে নিয়ে আদালতের প্রধান ফটকের সামনে আনার পর পরই অনাকাংখিত ঘটনাটি ঘটে যায়। তবে আনোয়ারকে গ্রেফতার করা হয়নি, অনাকাংখিত ঘটনাটি না ঘটলে রাস্তায় বের হলেই সাজাপ্রাপ্ত আসামী আনোয়ারকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হতো বলে তিনি দাবি করেন। ’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here