নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: শুভ দীপাবলির সন্ধ্যায় অমঙ্গল বিতাড়নে নারায়ণগঞ্জের ঘরে ঘরে প্রদীপ ও মোমবাতি প্রজ্জলন করেছেন সনাতন ধর্মালম্বীরা। তাদের বিশ^াস এই প্রদীপ জ্বালানো হচ্ছে অমঙ্গল বিতাড়নের প্রতীক। এছাড়াও স্বর্গীয় বাবা-মা আত্মীয় স্বজনদের স্মরণে এদিন শ্মসানসহ বিভিন্ন স্থানে প্রদীপ প্রজ্জলন করা হয়।
তাই বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী শ্যামা পূজার দিন সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে দীপাবলি উৎসব উদযাপন করে থাকেন ভক্তরা।

প্রতিবছর কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে এই শ্যামা পূজা বা কালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

হিন্দু পূরাণ মতে, কালী দেবী দূর্গারই একটি শক্তি। সংস্কৃত ভাষার ‘কাল’ শব্দ থেকে কালি নামের উৎপত্তি। কালী পূজা হচ্ছে শক্তির পূজা। জগতের সকল অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তির বিজয় মধ্যেই রয়েছে কালীপূজার মহাত্ম। কালী দেবী তার ভক্তদের কাছে শ্যমা, আদ্য মা, তারা মা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী, দেবী মহামায়াসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত।

দুর্গাপূজার মতো কালীপূজাতেও গৃহে বা মন্ডপে মৃন্মময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করা হয়। মধ্যরাত্রে তান্ত্রিক পদ্ধতিতে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। দেবীকে ছিন্নমস্তকসহ বলির পশুর রক্ত, মিষ্টান্ন, অন্ন বা লুচি, মাছ ও মাংস উৎসর্গ করা হবে।

এদিকে, শ্রীশ্রী শ্যামা পূজা উপলক্ষ্যে শহরের নিতাইগঞ্জে স্বগীয় রনবীর রায় চৌধুরী স্মৃতি সংসদ, ডাইলপট্টীতে ডাল-ভূষামাল ব্যবসায়ী মালিক গ্রুপের উদ্যোগে, মীনাবাজার গোপীনাথ জিউর মন্দিও, টানবাজার শ্রীশ্রী দক্ষিণেশ^র কালী মন্দির, কালীরবাজার শ্রীশ্রী কালী মন্দিরে পূজা উপলক্ষ্যে সন্ধ্যার পর ভক্তদের ঢল নামে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here