নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: ঈদের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, কোরবানীর পশুর পাশাপাশি মাংস কাটার খাটিয়া, ধারালো অস্ত্র, চাটাই বেচাকেনাও বাড়ছে।
প্রতি বছরের ন্যায় এবারও নগরীর মন্ডলপাড়ায় বসেছে কোরবানীর সরঞ্জামাদি বিক্রির ভাসমান হাট।

বুধবার (৩০ আগষ্ট) দুপুরে সরেজমিন নগরীর মন্ডলপাড়া ও ফলপট্টী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গাছের বড় খাটিয়া ৪০০-৪৫০, মাঝারি আকৃতির খাটিয়া ২৫০-৩০০, চাটাই ১৮০-২০০ টাকায় বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। গত বছরের তুলনায় খাটিয়ায় দাম ৮০-১০০ ও চাটাই ৪০-৫০ টাকা বেশী।

চাটাই বিক্রেতা সমশের আলী বলেন, ‘এখন একেকটি বাঁশের দাম ৬০-৭০ টাকা বেশী। তারপর মজুরী আছে। একটি চাটাই বিক্রি করলে ২০-২৫ টাকা টেকে। বিশেষ করে কোরবানীর ঈদে চাটাই বিক্রি বেশী হয়, তাই দামও একটু বেশী হয়ে থাকে।’

ফলপট্টী এলাকায় ভাসমান দোকান পেতে বসা ফারুক আহম্মেদ বলেন, ‘কোরবানীর ঈদের প্রথমে পশু কেনার চাপ বেশী থাকে। তারপর পশু জবাই করার ধারালো অস্ত্র ও কাঠের গুল (খাটিয়া), চাটাই না কিনে উপায় নেই। ’

তিনি আরও বলেন, ‘বছরে একবারই বাড়ীতে পশু জবাই করতে হয়। আগে কসাই দিয়ে পশু জবাই করে মাংস কাটার কাজ করা হতো। কিন্তু কসাইদের টাকার হাঁক খুব বেশি। একটি বড় গরু তৈরী করে নিতে সাত-আট হাজার টাকা দিতে হয় তাঁদের। তাই বিবিন্ন মহল্লার লোকজন সবাই মিলে পশু জবাই করে মাংস কাটাকাটির কাজ করে। এ জন্য মাংস তৈরির সরঞ্জাম না কিনে উপায় নেই।’

মন্ডলপাড়া এলাকার বসা খাটিয়া বিক্রেতা জাবেদ মিয়া বলেন, ‘সব ধরনের কাঠ দিয়া তো মাংস কাটার গুল বানানো যায় না। তেঁতুল বা নিম কাঠের গুল ভালো মানের। এসব গুলে মাংস বা হাড় কাটলে কাঠের গুঁড়া বের হয় না। তাই এসব কাঠের দামও বেশী।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here