নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: সরবরাহ কম থাকার অজুহাতে ঈদের পরেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন রকমের সবজি। তবে কিছুটা কমেছে পিয়াজ, রসুন, কাঁচা মরিচ ও মাছের দাম।
শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঈদের পর প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিনের সকালে নগরীর দ্বিগুবাবুর বাজার, কালীরবাজার, মীনা বাজারসহ বিভিন্ন কাঁচা বাজার ঘুরে এমনই তথ্য মিলেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতিকেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়, যা ঈদের আগে ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া ঝিঙার দাম বেড়ে হয়েছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। করলা প্রতিকেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ঈদের আগের সপ্তাহের মত এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শিম। প্রতিকেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। যা ঈদের আগের সপ্তাহেও ৮০ টাকর উপরে বিক্রি হয়েছে।

তবে কমেছে পিঁয়াজ, রসুন ও কাঁচা মরিচের ঝাঁজ। প্রতিকেজি দেশী পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। যা ঈদের আগে ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকায়, যা ঈদের আগে ছিল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা। আমদানী করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে। যা ঈদের আগে প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকায়।

বিক্রেতারা জানান, ‘ঈদের পর বাজার এখনো সেভাবে জমে উঠেনি। যারা ঈদ করতে গ্রামের বাড়ীতে গেছেন তাদের বড় একটি অংশ এখনো নারায়ণগঞ্জ শহরে ফিরে আসেনি। তাই বিক্রির পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে একটু কম। আর বিক্রি কম হওয়ার কারণে সবজিও কম আসছে। ফলে আড়তে সবজি কম আসায় বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

অপরদিকে, মাছের বাজার ঘুরে দেখাগেছে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় ঈদের আগের তুলনায় ঈদের পর সবচেয়ে বেশী করেছে বাঙালীর জি¦ভে জল আনা সুস্বাদু ইলিশ মাছের দাম। ৮০০ গ্রাম ওজনের একজোড়া ইলিশ ১ হাজার থেকে ১২শ’ টাকা, বড় সাইজের কাতল প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা, রুই ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, চায়না পুঁটি ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, মাঝারি আকারের চিংড়ি ৭০০ টাকা, চাষের কৈ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, শিং মাছ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, নলা মাছ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা ও কার্ফু মাছ ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here