নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: নগরীর ফুটপাতে গড়ে উঠা অসংখ্য ভ্রাম্যমান খাবারের দোকান গুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী হচ্ছে মুখরোচক নানা ধরনের খাবার। নগরীতে চলাচলরত সাধারন পথচারীরা এসব খাবার খেতে ভীষন অভ্যস্থ হয়ে থাকেন। এসব নিন্ম মানের ভাজাপুরির দোকান গুলোতে তৈরী হচ্ছে সিংগাড়া, পুড়ি, সমুচা, পিয়াজুসহ হরেক রকমের মুখরোচক খাবার।
কিন্তু এসব খাবার খাওয়ার জন্য দোকান গুলোতে সালাদ হিসেবে যে শসা এবং পেঁপে দেয়া হয়, তা মূলত থাকে বাজার গুলোতে বিক্রি হওয়া পঁচা বাতিল সবজি হিসেবে। যা বাজার থেকে সংগ্রহ করে সাধারন ভোক্তাদের মুখরোচক খাবারের সাথে সালাদ হিসেবে দিয়ে থাকেন ভ্রাম্যমান বিক্রেতারা।

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে এমনই দৃশ্য দেখা গেছে নগরীর নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উত্তর পাশে রাসেল গার্মেন্টস এর সামনে বসা কয়েকটি ভ্রাম্যমান মিনি ভাজাপুরির দোকান গুলোতে। একটি প্লাষ্টিকের ঝুঁড়িতে রাখা এসব শসা ও পেঁপে গুলোতে একেবারে প্রায় পচন ধওে গেছে এবং ভাঙ্গা নোংরা দেখতে পাওয়া যায়।

তাৎক্ষনিকভাবে এগুলো দিয়ে কি কাজ করা হবে দোকানীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এগুলো দিয়ে পুরি সিংগাড়ার জন্য সালাদ তৈরী করা হবে। কেন এ ধরনের পচাঁ আর বাতিল সবজি দিয়ে তৈরী করছেন উত্তরে দোকানী বলেন, স্যার এগুলো কম দামে বাজার থেকে কিনতে পাওয়া যায়। এ সময় ওই দোকানে আসা কয়েকজন ভোক্তাকে সেই সালাদ দিয়েই খাবার খেতে দেখা যায়।

নগরীর চাষাড়া মার্ক টাওয়ার সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে এধরনের অনেক ভাজাপুরির দোকান। তাছাড়া শহরের ২নং রেল রেল গেইট বর্ষন সুপা মার্কেটের পেছনে, ১নং রেল গেইট, লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা, ডনচেম্বার সহ অসংখ্য স্পটে এসব ভ্রাম্যমান ভাজাপুড়ির দোকান রয়েছে। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে ছোট বড় সকলেই এসব খাবার খাচ্ছেন।

এ বিষয়ে নগরীতে চলাচলরত সচেতন পথচারীদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, এমনিতেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এগুলো তৈরী করা হচ্ছে তাছাড়া পোড়া তেল দিয়ে এগুলো বানানো হয় আবার তার পাশাপাশি সালা হিসেবে এসব পচাঁ শশা-পেপে দিয়ে সালাত তৈরী করে খাওয়ানো হচ্ছে আমাদের। বিষয়টি খুবই খারাপ। আমরাতো না জেনে এগুলো খাচ্ছি। আর এর ফয়দা লুটছেন দোকানিরা। এ বিষয়ে নগরীতে ভ্রাম্যমান মোবাইল কোর্টের প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here