নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: বিশ্বব্যাপী মহামারি রূপ নেয়া করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৫ মার্চের পর থেকে বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশের সকল আদালতে বিচারিক কার্যক্রম। শুধুমাত্র জামিন শুনানীর জন্যে সীমিত আকারে ভার্চুয়াল কোর্টের ব্যবস্থা করা হলেও তাতে দেশের বেশীরভাগ আইনজীবীরই আস্থা নেই। তাই সারা দেশের মতো নারায়ণগঞ্জ আদালতের আইনজীবীরাও ভার্চুয়াল কোর্টের পরিবর্তে একচুয়াল কোর্টের দাবিতে নিয়মিত মানববন্ধন করছেন।

বুধবার ১ জুলাই দুপুরে তৃতীয় দিনের মতো আদালত প্রাঙ্গণে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। এই কর্মসূচি নিয়মিত চলবে বলেও জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তারা দাবি তুলেছেন- ভার্চ্যুয়াল কোর্ট বাতিল করে বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম মেনে নিয়মিত কোর্ট অর্থাৎ কোর্ট চালু করা হোক। সারা দেশের সকল প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে শুধু মাত্র আদালত বন্ধ রাখার কোন কারন থাকতে পারেনা। শুধুমাত্র আইনজীবীদের কালো কোর্টেই কি করোনা ভাইরাস লুকিয়ে আছে- এমন প্রশ্ন নারায়ণগঞ্জের আইনজীবীদের।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট খলিলুর রহমান, অ্যাডভোকেট রফিক আহমেদ, অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মোল্লা, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট আলাউদ্দীন আহম্মেদ, অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন নাগরী, অ্যাডভোকেট হাবিব আল মুজাহিদ পলু, অ্যাডভোকেট আলী আহম্মদ ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট কাউসার আলী শেখ, অ্যাডভোকেট সৈয়দ মশিউর রহমান শাহিন, অ্যাডভোকেট আজিজ আল মামুন, অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দীন, অ্যাডভোকেট মাসুদা বেগম শম্পা, অ্যাডভোকেট আশরাফুল আলম সিরাজি রাসেল, অ্যাডভোকেট এইচএম আনোয়ার প্রধান, অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট রনজিৎ চন্দ্র দে সহ অন্যান্য আইনজীবীগণ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভার্চুয়াল কোর্ট দিয়ে মানুষের সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। এই কোর্টের মাধ্যমে শুধু হাজতে যারা আছেন তাদের জামিন করানো যায়। নতুন করে কোন প্রকার মামলা না হওয়ায় দেশে অপরাধের সংখ্যা বাড়ছে। একমাত্র সঠিক বিচার পাওয়ার স্থান আদালত বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

তারা আরও বলেন, আইনজীবীরা সরকারি বেতন পান না। আদালতই তাদের একমাত্র আয়ের পথ। কিন্তু মার্চ মাসের ২৬ তারিখ থেকে কোর্ট বন্ধ থাকায় আমরা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কষ্টের মধ্যে আছি। একারণে দ্রুত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গভাবে কোর্ট চালুর দাবি জানাচ্ছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here