নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: যথাযথ ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্য ও আনন্দ উল্লাসের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জে উদযাপিত হলো খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধাণ ধর্মীয় উৎসব ইষ্টার সানডে। খ্রীষ্টান ধর্মের প্রবর্তক যিশু খিষ্টের পুনরুত্থান দিবস উপলক্ষে সারা বিশে^র খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ দিনটি উদযাপন করে আসছে। সারা বিশে^র মতো নারায়ণগঞ্জ সাধু পৌলের গীর্জায় রবিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল নয়টায় খ্রীষ্টযোগ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ইষ্টার সানডের আনুষ্ঠানিকতা।
নারায়ণগঞ্জ সাধু পৌলের গীর্জায় ইষ্টার সানডে’র প্রার্থনা পরিচালনা ফাদার আগষ্টিন অমল রোজারিও। উপস্থিত ছিলেন সাধু পৌলের গীর্জার সেক্রেটারী পিন্টু পলিক্যাপ পিউরিফিকেশন, নারায়ণগঞ্জ জেলা খ্রীষ্টান এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী সৌরভ দেউরিসহ খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের অনুসারীরা। খ্রীষ্টযোগ প্রার্থনা শেষে সবাই মিষ্টি মুখ করেন এবং নেচে গেয়ে আনন্দ উল্লাসের মাধ্যমে যিশু খ্রিষ্টের পুনরুত্থান দিবস উদযাপণ করেন।

উল্লেখ্য, প্রার্থনা অনুষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন খ্রিস্টীয় সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এ বিশেষ দিনটি পালনের জন্য নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সারা বিশ্বের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব হল ইস্টার সানডে। খ্রিষ্ট ধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিস্টকে বিপথগামী ইহুদি শাসকগোষ্ঠী তাদের কুসংস্কারাচ্ছন্ন শাসন ব্যবস্থা অক্ষুন্ন রাখার স্বার্থে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করেছিল গুড ফ্রাইডেতে।
মৃত্যুর তৃতীয় দিবস রবিবারে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন যিশুখ্রিষ্ট। পুনরুত্থানের ওই রবিবারটি ইস্টার সানডে হিসেবে পরিচিত। চল্লিশ দিনের রোজা পালন শেষে এ ইস্টার সানডে বিশ্বের সব খ্রিস্টভক্তের জীবনে বয়ে আনে নির্মল আনন্দ ও শান্তি।
গভীর রাত থেকেই শুরু হয়ে যায় ইস্টার সানডে উদযাপন। গভীর রাতে প্রতিটি চার্চে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠান। খ্রিস্টভক্তরা চার্চে গিয়ে উপস্থিত হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত অবস্থান করেন। ইস্টার সানডেতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ গারো ছাত্র সংগঠন (বাগাছাস)।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here