নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: ফের বেসামাল হয়ে পড়েছে নারায়ণগঞ্জে চালের বাজার। সরকারী-বেসরকারী পর্যায়ে চাল আমদানীর কারণে মাঝে মোটা চালের দাম সামান্য কমলেও সংকটের অজুহাতে সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ করে আবারও বেড়ে গেছে সকল প্রকার চালের দাম।
শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নগরীর পাইকারী চালের আড়ৎ নিতাইগঞ্জ থেকে মন্ডলপাড়া পর্যন্ত সরেজমিন বেশ কয়েকটি দোকানে কথা বলে জানাগেছে, কয়েকদিনের ব্যবধানে মোটা চালের কেজি ছাড়িয়েছে ৫০ টাকা। আর চিকন চালের কেজি ৭০ টাকায় ঠেকেছে। চালের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ। সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

চালের আড়ৎদারদের সাথে আলাপকালে জানাগেছে, কোনোভাবেই টেনে ধরা যাচ্ছে না চালের মূল্য বৃদ্ধির লাগাম। গত বছরের পুরো সময় দেশের মানুষকে চড়া দামেই চাল কিনে খেতে হয়েছে। চলতি বছরের শুরু থেকেও সে ধারা অব্যাহত রয়েছে। মাঝে আমন ধান ওঠার সময় এবং আমদানীর কারণে চালের দাম কিছুটা কমলেও কয়েকদিনের ব্যবধানে আবারও বেড়েছে।

এখন একেবারে চাল কল থেকে শুরু করে পাইকারী-খুচরা সব পর্যায়েই বেড়েছে চালের দাম। মিল পর্যায়ে বেড়েছে বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা। পাইকারী পর্যায়ে বেড়েছে ১৫০ টাকা আর খুচরা পর্যায়ে কেজিপ্রতি চালের দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪ টাকা।

আর এভাবে চালের দাম বৃদ্ধির কারণে মিল মালিকদের কারসাজিকেই দায়ী করছেন পাইকারী ব্যবসায়ীরা।

পাইকারী ও খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাইকারী বাজারে নিম্নমানের নাজিরশাইল চালের বস্তা ২৫৫০ টাকার বদলে ২৬৫০ টাকা হয়েছে। আর খুচরা বাজারে ৫৪ টাকার নিম্নমানের নাজিরশাইল হয়েছে ৫৬ টাকা। উন্নতমানের নাজিরশাইল ৬২ টাকার বদলে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া খুচরা বাজারে স্বর্ণা চাল ৪৮ থেকে ৫০, পারিজা চাল ৫০ থেকে ৫২, উন্নতমানের মিনিকেট ভালো ৬৪ থেকে ৬৬, বিআর আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here