নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: ষড় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। হেমন্ত এখন ঘরের মেহমান। হেমন্তের পরই রয়েছে শীতের নেমতন্ন। অল্প ক’দিন পর বইবে শীতের দাপট। এরই মাঝে নারায়ণগঞ্জে শেষ রাতের বৃষ্টিতে হেমন্তেই বইতে শুরু করেছে শীতের আবহ। ঠান্ডা ঠান্ডা হাওয়া নারায়ণগঞ্জের সর্বত্র বিরাজমান। সেই থেকে সর্বত্র বইছে শীতের আগমণী বার্তা। তারপর আবারও সূযের্র তাপদাহ, আবছা আলোর বিবর্ণ বিকেল। এভাবে শীত সূর্যের লুকোচুরিতে নাতিশীতোষ্ণোর ধমকি, দেয় পৌষ মাঘের কনকনে শীতের হুমকি। কখনো রোদ্দুর কখনো মেঘলা হাওয়া।

সোমবার (৩০ অক্টোবর) সারাদিন ধরেই শীতের আবহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জের আনাচে-কানাচে। সারাদিন কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশ এবং সূর্যের মৃদু তাপের পর রাতে গায়ে জড়াতে হয়েছে কাঁথা। এসব দৃশ্য থেকে সহজেই অনুধাবন করা যাচ্ছে যে, শীতের আর বুঝি দেরি নেই। শীতের আগমনীতে তাই সবার চলছে পূর্ব প্রস্তুুতি।

শহরে শীতের পোষাক বিক্রেতারাও তাই একরকম ব্যস্তই প্রায়। প্রতি বছরই শীত আসার পূর্বেই এসব কাপড়ের চাহিদা বেড়ে যায় ব্যপক। সে কারণে এসব কাপড় বিক্রেতারাও শীতের অপেক্ষায় প্রহর গুণেন। সোমবার নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সড়কে ঘুরে দেখা যায় ফুটপাথে বসে অনেকেই বিক্রি করছেন এসব কাপড়। সময়ের সাথে ক্রেতার সংখ্যাও বৃদ্ধি পায় এসব দোকানে। বেশ কয়েকজন বিক্রেতার সাথে কথা বললে, তারা নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডিকে জানান, তাদের বিক্রি বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যান্য বছরের চেয়ে এ বছর ভালো বিক্রি হবে বলে তারা আশাবাদি।

শীতের এই আগমনী বার্তা লেগেছে সবজির বাজারেও। ফুলকপি, বাঁধাকপি, বরবটি, শিম সহ শীতের অনেক তরকারি এখনই পাওয়া যাচ্ছে বাজাওে, যদিও দাম কিছুটা অসহনীয়। শীতের সময়টা অনেকে অনেক ভাবেই উপভোগ করে থাকেন। তবে পরিবেশের দৃশ্য বদলানোর সাথে সাথে গরিব-দু:খীদের জীবন যাপনের দৃশ্যটাও থমকে থাকেনা।

এ সময়ে আমাদের চারপাশের অনেক বৃদ্ধ ও পথ শিশুদের পোহাতে হয় নরক যন্ত্রণা। শীতের বস্ত্র ছাড়া, শীতের সাথে হ্যান্ডসেক করেই কাটাতে হয় এই সময়টাকে। তাই শীতের এই আগমনী বার্তায় সুখের সাথে দুঃখ-দূর্দশার ছাপও কম থাকেনা। আর এসব কারণে এই পরিবেশের লোকেরা অনেকটাই হন চিন্তিত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here