নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: বেসামাল চালের বাজারের কারনে নিন্ম মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের সাধ্যের মধ্যে চাল ক্রয়ের সুযোগ করে দিতে সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী ওএমএস কার্যক্রমের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন স্থানে ট্রাকে করে শুরু হয়েছে চাল বিক্রির কার্যক্রম।
বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে জেলার ৪০ লাখ বাসিন্দার চাল ক্রয় সুবিধার লক্ষ্যে ৩২ জন ডিলার নিয়োগ দিয়েছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তর। তবে সব ডিলার এদিন থেকেই তাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি বলে জানাযায়।

কিন্তু সিদ্ধ চালের পরিবর্তে প্রতি কেজি ৩০ টাকা দরে আতপ চাল বিক্রি করায় চাল কেনায় তেমন আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়নি সাধারন ক্রেতাদের।

কারন হিসেবে ক্রেতারা বলেন, আতপ চাল রান্না করলে জাউ ভাত হয়ে যায়। সিদ্ধ চালের ভাতের মত খাওয়া যায় না। তাই এই চাল কেনার চেয়ে বেশী দামে সিদ্ধ চাল কেনাই ভাল বলে মন্তব্য করেন ক্রেতারা।

অপরদিকে, ক্রেতাদের চাহিদা কম থাকায় ডিলাররাও খাদ্য অধিদপ্তর থেকে আতপ চাল নিয়ে ঠিকভাবে বিক্রি করতে পারছেন না।

শহরের নিতাইগঞ্জস্থ নলুয়া রোড এলাকার ডিলার জানান, ‘আতপ চাল বিক্রির কারনে ক্রেতাদের তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। সর্বোচ্চ ৫ কেজি করে চাল নেয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও ক্রেতারা আটা কিনার লক্ষ্যে কেউ ২ কেজি কেউবা তার চেয়ে কম আতপ চাল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।’

তবে আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত ওএমএস কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে এর কার্যক্রম জেলা ব্যাপী আরো বিস্তৃত করার আশ^াস দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক সিরাজুল ইসলাম।

তিনি নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডিকে জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলায় বুধবার থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন ও সদর উপজেলাধীন এলাকায় ২০টি পয়েন্টে, সোনারগাঁ উপজেলায় ৭টি পয়েন্টে ওএমএসএ চাল বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এজন্য জেলা ৩২ জন ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here