নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালত প্রাঙ্গনকে এখন সবচেয়ে বেশী অনিরাপদ জোন হিসেবে খ্যাত বলে আখ্যায়িত করেছেন আদালতে আসা সাধারন মানুষ! প্রতিদিন মামলা সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে জেলার ৭ টি থানার আসামীদের প্রতিদিন হাজির হতে এই আদালতের স্মরণাপন্ন হতে হয়। জেলার আদালত প্রাঙ্গনের ভেতরে বাদী বিবাদীদের যে কোন ধরনের তুচ্ছ বিষয়াদির ঘটনাগুলো থেকে প্রতিনিয়ত ঘটছে হাতাহাতি ও মারামারির মত ঘটনা। আদালত প্রাঙ্গনের ভেতরে সবচেয়ে বেশী নিরাপদ স্থান হলেও আদালতে আসা বিভিন্ন মামলার আসামীদের লোকজনদের সাথে ঘটছে হাতাহাতি ও মারামারির মতো ঘটনা!

বুধবার (৩১ জানুয়ারী) সকাল ১১টায় এমনই একটি ঘটনার নজির সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ আদালত ও ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের প্রধান গেইটের ভেতরে। তিন অজ্ঞাত মহিলা একজন (২৫) বছরের যুবক ও এক নারীকে তাদের চুলের মুঠি ধরে চানা হেচড়া করছে। এ ঘটনা দেখতে পেয়ে এক যুবক এগিয়ে আসলে তাকেও মারধর করে তার শার্টের বোতাম ও গেঞ্জী ছিড়ে ফেলা হয়।

এ সময় কর্তব্যরত কয়েকজন পুলিশ সদস্য গেইটের ভেতরে অবস্থান করলেও বিষয়টি তাদের তেমন একটা নজরে আসেনি। পরবর্তীতে কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী ঘটনার কারন জানতে চাইলে বিষয়টি মামলার বাদী-বিবাদীরা মারামারি বন্ধ করে যে যার মতো চলে যায়।

সূত্র থেকে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার ৭ টি থানার আসামীরা প্রতিদিন এই আদালতে আসছে। আসমীদের আতœীয় স্বজনরা তাদের লোজনদের দেখতে এসেই এ ধরনের হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটছে। কারন বাদী-আসামীদের মামলার হাজিরা শেষে আদালতের বাইরে আসলে মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তর্ক বিতর্কের কারনে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।

প্রতিদিন আদালতে আসা বিচার প্রত্যাশীরা এ সময় তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করে জানান, আদালতের ভেতরে আমরা সবচেয়ে নিরাপদ স্থান বলে মনে করি। কিন্তুু এ ধরনের বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনার কারনে আদালত প্রাঙ্গন এখন কিছুটা হলেও ভয়ের কারন হতে পারে!

এ বিষয়ে জানতে নারায়ণগঞ্জ কোর্ট (ইন্সপেক্টর) মোহাম্মদ আলী বিশ্বাসের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কলটি রিসিভ করেননি।

কিছুদিন পূর্বে বাদী-বিবাদীদের লোকজনদের হাতে নারায়ণগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গনের ভেতরে দুই গণমাধ্যম কর্মীও লাঞ্ছিত হয়েছিলেন তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here