নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: শুরু হয়ে গেলো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ন ও ফজিলতময় মাস পবিত্র মাহে রমজান। সিয়াম-সাধনা ও ইবাদতের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাস এটি। তাই প্রতিটা মুহূর্তকে আমাদের সঠিক ইবাদতের মাধ্যমে কাটাতে হবে। এবং সেই সাথে পবিত্র রমজান মাসের শিক্ষা সারা বছর ধরে রেখে সঠিকভাবে ইসলামের পথে প্রতিটা দিন চলতে হবে।
সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি মসজিদে মসজিদে শুরু হয়ে গেছে রমজানের প্রথম তারাবীহ’র নামাজ। নারায়ণগঞ্জের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে তারাবীহ’র নামাজের মধ্য দিয়ে রমজানের তাৎপর্য পালনের প্রস্তুতি শুরু কওে দিয়েছে। শহরের প্রধাণ প্রধাণ মসজিদগুলো যেমন ডিআইটি মসজিদ, চাষাঢ়া নূও মসজিদ, ফকিরটোলা মসজিদ, মাসদাইর কবরস্থান মসজিদসহ প্রতিটি পাড়া মহল্লার মসজিদগুলোতে ছিলো প্রচুর সংখ্যক মুসুল্লির ভীর। মহিমান্বিত এই মাসের পুরো ফজিলত আদায়ে নারায়ণগঞ্জের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজেকে সপে দিয়ে আল্লাহ’র প্রিয় হাবিবের সুপারিশে আখেরাতের মুক্তি অর্জণের চেষ্টায় মত্ত হয়ে গেছে।

ইসলামের পঞ্চভিত্তির তৃতীয় ভিত্তি হলো রোজা, প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলমান নর-নারীর প্রতি মাহে রমজানের রোজা পালন করা ফরজ। একজন মুসলমানের জন্য নামাজ যেমন ফরজ, ঠিক তেমনিভাবে রমজান মাসের রোজা পালন করাও ফরজ।

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে মুমিনরা তোমাদের প্রতি আমি মাহে রমজানের রোজাকে ফরজ করেছি। যেমন ফরজ করেছিলাম তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের প্রতি। এতে আশা করা যায় যে, তোমরা তাকওয়া বা খোদাভীতি অর্জন করতে পারবে।’ (সূরা বাকারা, আয়াত-১৮৩)

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আরো বলেন, ‘অবশ্যই আমি এ কুরআনকে লাইলাতুল কদরে নাজিল করেছি। আপনি জানেন লাইলাতুল কদর কী? তা হচ্ছে এমন রাত যা হাজার মাস থেকে উত্তম।’ (সূরা কদর আয়াত ১-৩)।

সকল পাপ-গুনাহ থেকে তাওবার মাধ্যমে রমজানকে স্বাগত জানাতে হবে। সকল প্রকার জুলুম অন্যায় থেকে বের হয়ে রমজানকে স্বাগত জানাতে হবে। যাদের অধিকার ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে তাদের কাছে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার মাধ্যমে রমজানকে স্বাগত জানাতে হবে। ভাল কাজের মাধ্যমে রমজানের দিবস-রজনী যাপনের মানসিকতা নিয়ে রমজানকে স্বাগত জানাতে হবে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here