নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: আর মাত্র ১৩ দিন পরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মালম্বীদের প্রধান বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজা।
শাস্ত্রমতে, ‘নৌকায়’ চড়ে স্বপরিবারে এবার ভক্তকূলের পূজো নিতে ধরনীতে বাপের বাড়ীতে আসছেন অসুর বিনাশিনী দেবী মা দূর্গা। যেই কারনেই নাকি হচ্ছে এত বৃষ্টিপাত, দেখা দিয়েছে প্রাকৃতিক দূর্যোগ, হয়েছে বন্যা। আর পূজো শেষে কৈলাশে ফিরবেন ‘ঘোটকে’ অর্থাৎ ঘোড়ায় চড়ে।

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর শুভ মহালয়ায় মা দূর্গার আগমনীতে শুরু হবে দেবীপক্ষের সূচনা। আর তাই মা দূর্গাকে বরণে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে নারায়ণগঞ্জ জেলায় উদযাপিত ১৯১টি পূজা মন্ডপের নেতৃবৃন্দরা।

শহরের নিতাইগঞ্জ শ্রীশ্রী বলদেব জিউর আখড়া, দেওভোগ শ্রীশ্রী রাজা লক্ষ্মী নারায়ণ জিউর আখড়া, আমলাপাড়া শ্রীশ্রী জনার্দন বালা জিউর আখড়া প্রাঙ্গন ঘুরে দেখা গেছে, খড় মাটির প্রলেপ দিয়ে দেবী দূর্গা, লক্ষ¥ী, স্বরসতী, গণেশ, কার্তিক, শিবের প্রতিমা নির্মান শেষে এখন রং তুলির আঁচরে দেবী দূর্গার পূর্ণ রূপ দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন মৃৎ শিল্পীরা।

কারন, হাতে যে আর বেশী সময় নেই, তাই সময়মত প্রতিমা বিভিন্ন পূজা মন্ডপে ডেলীভারী দিতে এখন নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তারা বলে জানান, দেওভোগে প্রতিমা নির্মাতা শংকর পাল।

আর ‘নৌকায়’ চড়ে ধরনীতে দেবী দূর্গার আগমন প্রসঙ্গে দেওভোগস্থ শ্রীশ্রী রাজা লক্ষ্মী নারায়ণ জিউর আখড়ার পুরোহিত শ্রী দীপঙ্কর চক্রবর্তী নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডিকে জানান, ‘মা দূর্গা এবার ধরনীতে নৌকায় চড়ে আসছেন। এতে করে প্রাকৃতিক দূর্যোগ দেখা দিবে। বন্যাসহ ব্যাপক বৃষ্টিপাত হবে। আর ঘোটকে যাওয়ার সময়ও ধনসম্পদ বিনষ্ট করে যাবেন। তাই আমরা পূজোয় মায়ের কাছে করজোরে প্রার্থণা করবো মা যেন অপশক্তিকে বিনষ্ট করে আমাদের দেশ ও জাতির মঙ্গল করেন।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here