নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ হওয়ার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হওয়ার আগে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও অবৈধ টাকা আর প্রভাবশালীদের কর্তৃত্বের কারনে হেরে যাওয়ার আশংকা করছেন ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। তবে কালো টাকার প্রভাবমুক্ত নির্বাচন হলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী খোরশেদ।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নির্বাচন প্রসঙ্গে ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডিকে বলেন, আমি প্যানেল মেয়র-১ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করবো এবং শতভাগ নিশ্চিত নির্বাচনে আমিই জয়লাভ করবো। কিন্তু প্যানেল মেয়র নির্বাচনে অবৈধ কালো টাকার ব্যবহার হতে পারে। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালীরা এই নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে আশংকা করছি।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ প্রায় ১৯ বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে তৎকালীন ৪নং ওয়ার্ডেও কাউন্সিলর হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।

এরপর নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা বিলুপ্ত হয়ে গঠিত হওয়া নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পরপর দুইবার ১৩নং ওয়ার্ড থেকে হেভিওয়েট প্রার্থীদের হারিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন তিনি। বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার পরেও পরপর তিনবারের জনপ্রতিনিধি হওয়া খোরশেদের জনপ্রিয়তা পরিমাপের জন্য এই সমীকরণই যথেষ্ট।

তাই আসন্ন প্যানেল মেয়র-১ হওয়ার দৌড়ে খোরশেদই যে এগিয়ে আছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু এই পদে খোরশেদের প্রতিদ্বন্দী অনেক সরকারী দলের রাজনীতিতে জড়িত কাউন্সিলর প্রার্থী টাকার বস্তা নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছেন খোরশেদকে মোকাবেলার জন্য। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায়ও অনেকে প্যাণেল মেয়র-১ হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। আর তাই শংকিত হওয়াটা এখন খোরশেদেও জন্য স্বাভাবিক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here