নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: অগ্রহায়ণের শেষ লগ্নে চারদিকে বৈইছে শীতের বারতা। রাত যতই ঘনিয়ে আসছে, কুয়াশার চাঁদরে ততই ঢাকা পড়ছে নগরী। তাই তো শীতের মধ্যে একটু গরম উষ্ণতা পেতে এখন ফুটপাত থেকে শপিং মল, সর্বত্রই শীতবস্ত্র কিনতে ভীড় জমাচ্ছে নগরবাসী।
কিন্তু শীত আসলেও শীতবস্ত্র কেনার সাধ্য না থাকায় বিত্তবানদের সহায়তার প্রতিক্ষায় কাঁপছে নগরীর চাষাড়া শহীদ মিনার, রেলষ্টেশন, লঞ্চঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে রাত্রিযাপন করা ছিন্নমূল অসহায় দরিদ্র মানুষগুলি। হয়তো শীত আরেকটু পুরোদমে পড়লে সমাজের বিত্তবানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অসহায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াবেন বলে ধারনা সচেতন মহলের।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১২ টায় নগরীর চাষাড়া বিজয়স্তম্ভ মোড়, ২নং রেলগেট এলাকা, কেন্দ্রীয় রেলষ্টেশন, লঞ্চঘাট এবং বিকেলে চাষাঢ়া ও কালীরবাজার এলাকার ফুটপাত থেকে বেশ কয়েকটি বিপনী বিতান সরেজমিন ঘুরে দেখাগেছে, গভীর রাতে যখন কুয়াশাচ্ছন্ন নগরীতে শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকতে তখন পাতলা কাপড় গায়ে মুরিয়ে কাঁপতে কাঁপতে বিভিন্ন স্থানে গাদাগাদি করে ঘুমিয়ে ছিল ছিন্নমূল শিশু থেকে বৃদ্ধরা। কেউ কেউ আবার শরীরের পাশেই আগুন জ¦ালিয়ে গরম তাপ নিয়ে রাত্রিযাপন করেন।

এসময় কয়েকজন বলেন, ‘শীতে কাঁইপলে কি করমু ভাই, আমাগো তো জামা কাপড় দেওনের কেউ নাই। যেদিন পামু, হেদিনই শইলে গরম জামা দিমু।’

আর শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ফুটপাত থেকে বিপনী বিতান গুলোতে শীতবস্ত্র কেনার ধুম পড়েছিল নগরীতে। পছন্দ অনুযায়ী গরম পোশাক ও কম্বল কিনতে ক্রেতাদের বিভিন্ন দোকানে ভীড় করতে দেখা যায়।

বিশেষ করে, নগরীর চাষাড়া ও কালীরবাজার এলাকায় ফুটপাতের দোকান গুলোতে শীতবস্ত্র ও কম্বল কিনতে ক্রেতাদের সবচেয়ে বেশী ভীড় পরিলক্ষিত হয়েছে। সাধ্য অনুযায়ী ভালমানের জিনিস পাওয়ায় ফুটপাতেই ক্রেতাদের সবসময় সমাগম বেশী ঘটে বলে দাবী করেন বিক্রেতারা।

আর গত বছর শীত না পড়লেও এবছর একটু আগে থেকেই শীতের হাওয়া বইতে শুরু করায় বেচাকেনাও বেড়েছে বলে জানান বিক্রেতারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here