প্রেস বিজ্ঞপ্তি: গত ৮ এপ্রিল রবিবার সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা আইন শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির মাসিক সাধারণ সভায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম নারায়ণগঞ্জ জেলা হকার্স সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক আসাদুল ইসলাম আসাদকে চাঁদাবাজ বলে উল্লেখ করেছেন। অতীতে নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকায় হকার নেতাদের কোটি কোটি টাকার চাঁদাবজি, নেতাদের পাঁচতলা ছয়তলা বাড়ী, লাখ লাখ টাকায় হকার্স মার্কেটের দোকান বিক্রি ইত্যাদি ইত্যাদি লিখে হকারদের বিরুদ্ধে জনগনকে ভুল বোঝানো হয়েছে। আমরা মনে করি হকার উচ্ছেদের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার জন্যই এ ধরনের অবান্তর বক্তব্য বার বার দেয়া হচ্ছে। আমাদের জানামতে কোন হকার নেতা চাঁদাবাজি করে না। কোন হকারের পাঁচতলা বাড়ী থাকার কোন প্রশ্নই ওঠে না। লক্ষ লক্ষ টাকায় হকার্স মার্কেটের দোকান বিক্রির অভিযোগও সত্য নয়।

গত ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা, মেয়র মহোদয়ের দেহরক্ষীসহ নারায়ণগঞ্জ জেলা হকার্স সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক আসাদুল ইসলাম আসাদকে ধরে থানায় নিয়ে যায়। এ সংবাদ পেয়ে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি হাফিজুল ইসলাম থানায় আসে এবং তার জিম্মায় আসাদকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনার সাথে চাঁদাবাজির কোন বিষয় নেই। হকারদের উপর এ ধরনের পুলিশী হামলা প্রায়দিনই ঘটছে। যেহেতু হাজার হাজার হকারদের রুটি রুজি ও বাঁচা মরার প্রশ্ন তাই হকার নেতাদের সাথে পুলিশের মাঝে মধ্যেই বিরোধ হচ্ছে।

প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম কয়েকটি সংগঠনের নেতৃত্ব করেন। তথ্য উপাত্ত ছাড়া তিনি মনগড়া এ ধরনের উস্কানিমূলক ঢালাও বক্তব্য দিতে পারেন না। তার এ ধরনের দায়িত্বহীন বক্তব্যের কারনে হাজার হাজার হকারের রুটি রুজির ক্ষতি হয়। আশা করবো তিনি এ ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকবেন। অন্যথায় মানহানি মামলাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া বিকল্প থাকবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here