নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি, বন্দর প্রতিনিধি: বন্দর উপজেলা পরিষদের নতুন ভবন নির্মান কাজের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার জন্য উপজেলা প্রাঙ্গনে বিভিন্ন প্রজাতির ৪৩টি গাছ কর্তন করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সচেতন মহল। গাছ কর্তনের ঘটনায় সচেতন মহলের একাংশ এর পক্ষে মতামত প্রকাশ করলে সচেতন মহলের অপর অংশ এর বিপক্ষে মতামত প্রকাশ করেছে।

এ ব্যাপারে বন বিভাগ কর্মকর্তার সাথে আলাপ কালে তিনি জানান, বন্দর উপজেলা ভবন নির্মানের স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির ডন্ডায়মান গাছ অপশারন প্রসঙ্গে গত ২৩ আগষ্ট বন বিভাগ থেকে বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী হাবিবকে নোট দেওয়া হয়। ৪৩ নং ক্রমিক মিটিংটি গত ২৮ আগষ্ট হওয়ার কথা থাকায় সাবেক ইউএনও বদলি হওয়ার কারনে মিটিংটি হয়নি।

বর্তমান নির্বাহী কর্মকর্তা পিন্টু বেপারী যোগদানের পর বন কর্মকর্তা গত ১৩ সেপ্টম্বর এই বিষয়ে ইউনও পিন্টু বেপারীকে নোট দেয়। পরে ১৯ সেপ্টম্বর এই বিষয়ে মিটিং হয়। মিটিংএ বন্দর উপজেলা পরিষদের প্রকোশলী রাজিউল্লাহ, বন্দর কৃষি কর্মকর্তা মোস্তফা এমরান, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার প্রধান, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌসি আরা বেগমসহ ৮ জন উপস্থিত ছিলেন।

পরে ২০ সেপ্টেম্বর একটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বন্দর উপজেলার ৪৩টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ২৬ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করে নিলামে বিক্রির জন্য টেন্ডার আহবান করে। এই টেন্ডারে ৫ জন অংশ গ্রহন করে। এরা হলেন বন্দর উপজেলার ফরাজিকান্দা এলাকার আনোয়ার হোসেন, একই এলাকার লুৎফর মীর, মাধবপাশা এলাকার আশেক মিয়া, জিওধরা এলাকার আসাদ মিয়া ও মাদারীপুর জেলার মিন্টু মিয়া। মাধবপাশা এলাকার আশেক মিয়া সর্বচ্চ ৭০ হাজার ৫’শ টাকা দিয়ে গাছ কেটে নেওয়ার অনুমতি পান। গাছ বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা আছে। তিনি আরো জানান, ৪৩টি গাছের মধ্যে ১৯টি বল্লি। বাকি ১’শ ৫৯ দশমিক ৪৭ ঘন ফুট কাঠ।

এ ব্যাপারে উপজেলা র্নিবাহী কর্মকর্তা পিন্টু বেপারী জানিয়েছে, উপজেলা নতুন ভবন র্নিমান করার জন্য এই গাছ কাটা হয়েছে। এবং গাছ কাটার জন্য টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। সর্বচ্চ দরদাতা গাছের মূল্য দিয়ে গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা রয়েছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here