নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: নিজের ভাগ্য পরিবর্তন নয়, জনগনের সেবা ও দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে দলমত জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সমস্ত জনগনের দোয়া কামনা করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক ও ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।
তবে কোন দ্বন্দ সংঘাত বা কারো সাথে বিরোধীতা করে নয় বরং একজন কর্মীর গনতান্ত্রিক ও সাংগঠনিক অধিকার ও ১/১১ পরবর্তী গত এগারো বছর রাজপথে থাকা হামলা মামলা ও জেল জুলুমের শিকার তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি আগামী নির্বাচনে বিএনপি’র দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন। সেই সাথে দলীয় চেয়ারপার্সণ বেগম খালেদা জিয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে এবং তার মনোনিত প্রার্থীর পক্ষে সর্ব শক্তি নিয়োগ করে বিজয় ছিনিয়ে আনার আশাবাদও জানান খোরশেদ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাপানো এক লিফলেটে সদর-বন্দরবাসীকে এসব কথা জানান তিনি।

ঘটনা সূত্রে প্রকাশ, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে বিএনপি’র দলীয় মনোনয়নের প্রতিযোগিতায় ক্রমেই নিজের অবস্থান উজ্জল করছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক ও ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। গত প্রায় এক যুগের আন্দোলন সংগ্রামে আপোষহীন অবদানের স্বীকৃতি খোরশেদকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলছে এবং নতুন দিনে তরুন নেতৃত্বের প্রতিনিধি হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। তাছাড়া পরপর তিনবারের সফল জনপ্রতিনিধি হওয়ায় দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে সমান গ্রহনযোগ্যতা অর্জণ করছেন। আর এক বিশাল কর্মীবাহিনীর নিরলস ভালোবাসার বহি:প্রকাশ দিনকে দিন খোরশেদকে আরো অনুপ্রনিত করছে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে। দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে নারায়ণগঞ্জের বাঘা বাঘা নেতারাও লেজ গুটিয়ে ঘরে বসে থাকলেও খোরশেদ রাজপথে তার অবস্থান ঠিকই ধওে রেখেছেন। অতি সম্প্রতি দলীয় চেয়ারপার্সণ বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যুতে ডাকা কর্মসূচিতে নারায়ণগঞ্জের নেতাদের কেউ সদর ছেড়ে বন্দরে আবার কেউবা সড়ক ছেড়ে গলির ভিতর প্রতিবাদ সভা করলেও একমাত্র খোরশেদই চাষাঢ়ার বুক চিরে যুবদলের মিছিল নিয়ে বেড়িয়ে যান। শত হামলা মামলার ভয়কে পিছে ফেলে খোরশেদের এই এগিয়ে চলার মানষিকতাই অন্য সকলের চেয়ে তাকে আলাদা করে তুলেছে।

প্রসঙ্গত, বিলুপ্ত হওয়ানারায়ণগঞ্জ পৌরসভার একবার ও সিটি কর্পোরেশনের দুইবার মিলিয়ে পরপর তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর নারায়ণগঞ্জ যুবদলের আহবায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। প্রতিবারই বিশাল ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের হারিয়ে তিনি বিজয়ী হয়েছেন। ফলে তার রয়েছে একটি জনসমর্থণ। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জ বিএনপি’র রাজনীতিতেও গুরিুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন খোরশেদ। দল ক্ষমতা ছাড়ার পর থেকে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে সব সময়ই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ফলে সরকারী দলের হামলা মামলার স্বীকার হয়েছেন বহুবার, করেছেন কারাবরণ। অনেক ফটোসেশন সর্বস্ব হাইব্রীড নেতা বিলাসবহুল এসি ঘরে বসে মনোনয়ন চাইতে পারলে, রাজপথের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর খোরশেদ তাদের চাইতে কম কিসে- তৃণমূলের মনে আজ এমনি প্রশ্ন!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here