নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: আবারো প্রচন্ড গরমের সঙ্গে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নারায়ণগঞ্জের জনজীবন। এতে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি কলকারখানায় উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। বছরের এই সময়ে নারায়ণগঞ্জের প্রায় প্রতিটি স্কুলে পরীক্ষা চললেও এই লোডশেডিংয়ের কারনে ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখা বিঘিœত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যহত হওয়া ছাড়াও অফিস আদালতে কাজকর্ম স্থবির হয়ে পড়েছে। শিশু-বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে গরমজনিত নানা অসুখে। আর তাই লোডশেডিংয়ের অত্যাচার থেকে রক্ষা পেতে কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী নারায়ণগঞ্জবাসী।

গত কয়েকদিন যাবত গরমে আর লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত নারায়ণবাসীসূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন দিন ধরে বৃষ্টির দেখা নেই। প্রচন্ড গরমে নগরবাসীর জীবন অস্থির। ফ্যানের বাতাসেও স্বস্তি আসছে না। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। শ্রমজীবী মানুষের কষ্টটাও অন্যদের চেয়ে বেশি। আর এই গরমের কারণে বেড়ে গেছে বিদ্যুতের চাহিদা। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারার কারণে নারায়ণগঞ্জে শুরু হয়েছে লোডশেডিং। লোডশেডিংয়ের কারনে সন্ধ্যার পরে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার সমস্যা হচ্ছে। চার্জ লাইট কিংবা মোমবাতির আলোয় অন্ধকার দুর করতে পারলেও গরম দূর করবে তারা কি দিয়ে!

শহরের চাষাঢ়ার গৃহবধু তাহমিনা আকতার জানান, গত কয়েক দিন যাবত বিদ্যুত যেনো সোনার হরিন হয়ে গেছে। তার নাগালই পাওয়া যাচ্ছে না। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত যে কোন সময় বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। আসছে প্রায় এক/দুই ঘণ্টা পর। প্রচন্ড গরমে এই লোডশেডিং যেনো মরার উপর খরার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে।

মিশনপাড়ার অধিবাসী রমজান আলী বলেন, আমার দুটি ছেলেমেয়ের পরীক্ষা চলছে। বিদ্যুতের আসা যাওয়ার কারনে তাদেও লেকাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে তারা পরীক্ষায় ভালো ফল আনতে পারবে না। তাছাড়া বাড়িতে আমার বৃদ্ধা মা এই গরমে বিদ্যুত না থাকায় শ^াসকষ্টে ভুগছেন। গরম আর লোডশেডিংয়ের অত্যাচার আর সহ্য হচ্ছে না।

সীমাহীন লোডশেডিংয়ের বিষয়ে জানতে ডিপিডিসি’র (কিল্লারপুল) উপ সহকারী প্রকৌশলী মোজাম্মেল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here