নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: শহরের ১৪ নং রয়েল ট্যাংক রোডস্থ এক দোকান মালিকের মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভূক্তভোগী মনির হোসেন বিপ্লব।
মঙ্গলবার (৯ মে) দুপুর আড়াইটায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনের সম্মেলন কক্ষে ভূক্তভোগী মনির হোসেন বিপ্লব এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন, তার পিতা মৃত- ফজলুল হক শহরের ১৪ নং রয়েল ট্যাংক রোডস্থ একটি দোকান ঘর একাধিক চুক্তি নামার মাধ্যমে জহিরুল হকের পিতা ফকির চাঁন মিয়ার নিকট ভাড়া দেয়। গত ২০১২সাল থেকে জহিরুল হকের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হলে তাকে আমাদের দোকান ঘরটি ছেড়ে দিতে বলা হয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩, ১৪ ও ১৫ নং  সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শারমিন হাবিব বিন্নী ও এলাকার বিশিষ্টজনদের উপস্থিতে একটি শালিশে গত ৭ মে ২০১৭ তারিখে জহিরুল হককে তার দোকান ঘরটি ছেড়ে দেওয়ার রায় প্রদান করা হয়। জহিরুল হক ও তার ভাই জসিম এর উপস্থিতিতেই রায় প্রদান করে তার দোকানের সমুদয় মালামাল বের করে দিয়ে দোকানটি তালাবদ্ধ করে চাবি বিপ্লবের নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

 এ ঘটনার একদিন পর গত ৮ মে জহিরুল হক নারায়ণগঞ্জ প্রেক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ দোকানের পজিশন তার নিজ ক্রয়কৃত দাবী করেন এবং আমাদের বিরুদ্ধে তার দোকান ভাংচুর ও লুটপাট চালানোর অভিযোগ করেন। যা সঠিক নয়।

বিপ্লব আরো বলেন, তার পিতা ফজলুল হক মৃত্যু বরন করলেও জহিরুল হকের পিতা ফকির চাঁন এখনো জীবিত রয়েছে। তার সঙ্গে তার পিতার ভাড়া সংক্রান্ত বেশ কিছু চুক্তি নানা রয়েছে। ৩৮ বছর আগে চুক্তিনামা মোতাবেক ভাড়া নির্ধারিত হয়েছিল ২’শ টাকা। পরবর্তীতে ১৭ আগষ্ট ১৯৮২ সালে দোকান ঘর ভেঙ্গে দালান করার সময় তার পিতা ফজলুল হকের সঙ্গে জহিরুল হকের পিতার দোকান ভাড়া সংক্রান্ত আরেকটি চুক্তি নামা হয় এবং বর্ধিত ভাড়া নির্ধারিত হয় ৪৫০ টাকা। এ ভাড়া পূণরায় বর্ধিত হয়ে ৯৫০ টাকা হয় ১৪০০ বাংলা সালে। দু’বছর পর এ ভাড়া আবারও বর্ধিত করে ১১০০ টাকা করা হয়। এ সব চুক্তিনামায় স্বাক্ষী হিসেবে স্বদেশ চন্দ্র সাহা, সালাউদ্দিন মল্লিক ও মোঃ রাশেদ সারোয়ার সহ বাংলাদেশ হোসিয়ারী সমিতির বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষর রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিপ্লব আরো উল্লেখ্য করে বলেন, গত ৮ মে-২০১৭ এক সংবাদ সম্মেলনে জহিরুল হক তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে পুলিশের যোগসাজোসে তাকে উৎখাতের অভিযোগ করেছেন। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এলাকার বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ, হোসিয়ারী সমিতি নেতৃবৃন্দ, প্রেস মালিক সমিতি নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় কাউন্সিলর এ বিষয়ে বিচার করে তার দোকান ঘর তাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, পাশের দোকানদার আমির হোসেন, সোহেল এর বড় ভাই, দোকানের মালিক মনির হোসেনের স্ত্রীর বড় ভাই আকতার হাসেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here