নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যাণেল মেয়র নির্বাচনের ফলাফলে হতাশ হয়েছে নগরীর জনগন, সেই সাথে সিটি মেয়র আইভীর অকৃতজ্ঞতার স্বাক্ষর হয়ে থাকবে এবারের প্যাণেল মেয়র নির্বাচন-এমনটাই মনে করে নগরবাসী।
এক সময় কাউন্সিলর খোরশেদ নিজে বিএনপি’র লোক হয়েও আওয়ামীলীগের আইভীর পক্ষে কথা বলেছিলেন, অথচ উড়ে এসে জুড়ে বসা বিভা হাসানকে পেয়ে সেই খোরশেদকেই বেমালুম ভুলে গেলেন আইভী, আর এ কারনেই নগরবাসীর এই হতাশা বলে জানা গেছে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সাল তদানিন্তন নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনের বছর না পেরুতেই শুরু হয়ে যায় আইভীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ, তখন বিএনপি ক্ষমতায়। আর বিদ্রোহের সূত্র ধরে আসে অনাস্থা প্রস্তাব। তখন পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে নয়জন পুরুষ ও তিনজন নারী কাউন্সিলর মিলিয়ে বারো জনের বেশীরভাগই আইভীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। অথচ তখন ¯্রােতের বীপরীতে গিয়ে আইভীর পক্ষে বুক চিতিয়ে দাড়িয়ে যান কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। নিজে বিএনপি নেতা হওয়া সত্বেও আওয়ামীলীগের আইভীর জন্য লড়াই করেন খোরশেদ। এবং খোরশেদের সেদিনের কঠোর অবস্থানের কারনেই অনাস্থা থেকে পরিত্রাণ পেয়ে যান আইভী।

কিন্তু নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা: সেলিনা হায়াত আইভী খোরশেদের সেদিনের সেই অবদানের মূল্যায়ণ করলেন না। এবারের প্যানেল মেয়র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেছিলেন ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। সবাই ভেবেছিলো আইভী তার পুরানো দিনের কথা মনে রাখবেন এবং তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর খোরশেদকেই প্যাণেল মেয়র-১ হিসেবে সাপোর্ট করবেন। কিন্তু ‘আর কাউন্সিলর নির্বাচন করবো না’ গত সিটি নির্বাচনের আগে খোরশেদের এই ঘোষনায় এবং দিনকে দিন খোরশেদের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকায় চিন্তায় পওে যান আইভী এবং প্যাণেল মেয়র-১ হিসেবে নবাগত বিভা হাসানকে বেছে নেন। নগরবাসীর মতে, আর এভাবেই নিজেকে অকৃতজ্ঞ হিসেবে চিহ্নিত করেন নাসিক মেয়র ডা: সেলিনা হায়াত আইভী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here