নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: ভাষা সৈনিক আক্কাস আলী স্মৃতিচারন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ক্রীড়া সংগঠক কুতুবউদ্দিন আকসি বলেন, ভাষা আন্দোলন সর্ম্পকে নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। আমি আপনাদের আহবান করছি স্টেডিয়ামে সভা সমাবেশ, র‌্যালীর আয়োজন করার উদ্যোগ নিন প্রয়োজনে আমরা সহযোগীতা করবো।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৪ টায় চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ভাষা সৈনিক আক্কাস আলী স্মৃতিচারন এর আহবায়ক সায়েদ আলী মজনুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সদস্য সচিব মাকিদ মোস্তাকিম শিপলুর সঞ্চালনায় এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ হোসিয়ারী সমিতির সভাপতি ও ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নাজমুল আলম সজল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ সাফায়াত আলম সানি, আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী সংগঠনের সভাপতি হাজী নুরু উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন মন্টু।

এ সময় সভাপতির বক্তব্যে ভাষা শহীদদের স্মৃতি চারন করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, ব্রিটিস শাসন আমল থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন, ৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধ সহ নারায়ণগঞ্জে প্রতিটি আন্দোলনে সবচেয়ে বড় অবদান এই বায়তুল আমান। আজ থেকে ৬৪ বছর আগে আমার বয়স যখন ৮ বছর তখন আমরা ৪ বন্দু এক সাথে বাড়ীর সামনে খেলছিলাম। হঠাৎ খবর পেলাম চাষাড়া থেকে পাগলা পর্যন্ত দু’ই ধারের সকল গাছ গুলো কেটে রাস্তায় ফেলে দেয়া হচ্ছে যাতে করে পাকিস্তানী পুলিশ নারায়ণগঞ্জে প্রবেশ করতে না পারে। তবুও পুলিশ এসে বায়তুল আমানে এসে হামলা করেছিলো। সে সময় র্মগ্যান স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা বেলী আপা, নাগিনা জোহা, ফাতেমা আপা সহ প্রায় ৫জনকে আটক করে নিয়ে গিয়েছিলো।

যে সকল ভাষা সৈনিকরা এখনো জীবিত আছেন তাদেরকে এ সকল অনুষ্ঠানে আনতে পারলে নতুন প্রজœম আরও ভাল ভাবে ভাষা সৈনিকদের বিষয় জানতে পারতো।

নারায়ণগঞ্জে ভাষা সৈনিকদের বিষয় নতুন প্রজন্মকে জানানোর জন্য এখানে দায়িত্বরত সাবেক ডিসি ছিলেন হাবিবুর রহমান সাহেব বই লেখার উদ্দ্যোগ গ্রহন করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে সেই উদ্দ্যোগ থেমে গেছে। কিন্তু এমন সব লোকদের নাম উল্লেখ্য করার কথা বলা হয়েছিলো যাদের কোন অবদান নেই। যার কারনে বইটি আর করা হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here