নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি, বন্দর প্রতিনিধি: মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদে চলছে তুঘলকি কান্ড। এলাকার শিল্প মালিক ও ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা আদায়ের মহোৎসব চলছে এখানে। ইউনিয়ন পরিষদেও জনপ্রতিনিধিদের কর্মকান্ডে জিম্মি হয়ে পড়েছে এলাকার শিল্প মালিক ও ব্যবসায়ীরা। একাধিক ব্যাবসায়ী অভিযোগ করেন, মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদে ট্রেড লাইসেন্সের নামে লাখ লাখ টাকার বানিজ্য চলছে।

সরকারী ফি মাত্র ২৩শ টাকা হলেও ব্যাবসায়ী ও শিল্প মালিকদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা। এটাকা না দিলে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু বা নবায়ন কোনটাই করেননা চেয়ারম্যান গাজী এম এ সালাম। এ

ব্যাপারে বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, এবং জেলা প্রশাসক এর নিকট অভিযোগ দাখিল করেছে ভূক্তভোগীরা। তারা আরও জানান, মদনপুর ইউনিয়ন শিল্প সমৃদ্ধ এলাকা হলেও মেম্বাররাও ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম নিবন্ধন, ওয়ারিশ সার্টিফিকেটসহ সরকার নির্ধারিত বিনা মুল্যের এবং নির্ধারিত ফি’র সেবা সমুহ নিয়ে চরম বানিজ্য চলছে। আর এসব বানিজ্যে এগিয়ে রয়েছে মদনপুরের কুখ্যাত ইউপি মেম্বার খলিলুর রহমান ওরফে বাবা খলিল। স্

থানীয়রা জানায়, মদনপুর বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এসময় মহাসড়কের দুপাশে অর্ধ শতাধিক দোকানপাট উচ্ছেদ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের পাশ্ববর্তি খালি জায়গায় উচ্ছেদকৃতরা আবার দোকান বসানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও বন্দর থানা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি এম এ সালামের নাম ভাঙ্গিয়ে কুখ্যাত খলিল মেম্বার ওরফে বাবা খলিল বাহিনী সশস্ত্র মহড়া দিয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, সড়ক ও জনপথের জমিতে দোকান নির্মাণ করে লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের টার্গেট নিয়ে খলিল মেম্বার বাহিনী জবরদখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এব্যাপারে মদনপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেন, সরকার ট্রেড লাইসেন্স ফি বৃদ্ধি করায় সেই হারেই শিল্প ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স ফি বাড়ানো হয়েছে। এখানে বেশী নেয়ার কোন সুযোগ নেই। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কেউ কেউ অপপ্রচার করছে। খলিল মেম্বারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here