নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ৩টি বিদ্যালয়ের উদ্বোধন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় শহর বন্দরের হাজার হাজার মানুষের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন মন্ত্রী। মন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের আহবানে সাড়া দিয়ে ২৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হন বন্দরের ত্রিবোনী মিনারবাড়ি এলাকায়। আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে সকাল থেকেই মিছিলের নগরীতে পরিনত হয় বন্দর। তবে বিদায় বেলায় সেলিম ওসমানকে অশ্রুসিক্ত নয়নে ওবায়দুল কাদেরকে বিদায় দিয়েছেন। ওই সময়ে ওবায়দুল কাদেরকে জড়িয়ে ঢুকরে কাঁদতে দেখা গেছে সেলিম ওসমানকে।

এর আগে মন্ত্রী বলেন, আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এই নারায়ণগঞ্জে কোন সমাবেশে আমার প্রথম আগমন। এই দুপুর বেলাও হাজার হাজার মানুষ মদনপুর থেকে এই বন্দর পর্যন্ত অপেক্ষমান। ফুল আর ফুল, ফুলের পাপড়ি। অনেক সুন্দর। আমি শুধু
এতটুকুই বলতে চাই একটি ব্রীজের জন্য এত ফুল কেন। একটি ব্রীজের জন্য এত তোরণ কেন। একটি ব্রীজের জন্য এত ফুলের পাপড়ি কেন। আমার ছবি দিয়ে এত তোরণ কেন। যেখানে যা প্রয়োজন তা করা মন্ত্রী হিসেবে আমার দায়িত্ব। আমি এখানে ফুলের মালা, পাপড়ি নিতে আসিনি। আমি এখানে শত শত ব্যানার, তোরণ, বিলবোর্ড দেখতে আসিনি। এই যে ফুল, বাগানের ফুল, এক ঘণ্টা কি বড়জোর দুই ঘণ্টা পর ফুল শুকিয়ে যাবে, ব্যানারের ওই ছবি মুছে যাবে, বিলবোর্ডের ছবি মুছে যাবে, বাগানের ফুল শুকিয়ে যাবে। পাথরে লিখোনা নাম খয়ে যাবে, হৃদয়ে লিখো নাম রয়ে যাবে।

এদিকে মন্ত্রীর সমাবেশে নেতাকর্মীদের সমাগম ও উপস্থিতিতে নির্বাচনী আমেজ তৈরী হয়। মন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে মদনপুর থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী রাস্তার দুই পাশে তাকে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে স্বাগত জানান। এ সময় তার ছবি সম্বলিত ব্যানার ফেস্টুন ছিল সকলের হাতে। মন্ত্রীর পক্ষে নানা শ্লোগান ও পথে পথে চোখে পড়ার মত তোরণও ছিল অনেক। মন্ত্রী মদনপুর থেকে প্রবেশের সময় থেকেই নিজের গাড়ির গতি কমিয়ে দেন। নেতাকর্মীদের এমন শুভেচ্ছা পেয়ে তিনি নিজেও হাত নাড়িয়ে সকলকে
অভিবাদন জানান।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here