নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: মনস্থির করলেও নানা কারনে পিছিয়ে যাচ্ছে মহানগর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে দলীয় নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযান। আর বিএনপিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী কারা, তা এখন জানতে চেয়েছেন মহানগরের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দরা।
জানাগেছে, গত ৩০ জুলাই জেলা আওয়ামীলীগ প্রায় ৮০ হাজার নতুন সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে দিলেও এখনো পর্যন্ত একই কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি মহানগর আওয়ামীলীগ। যদিও ঈদের পর চলতি সেপ্টেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিক ভাবে সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করার পরিকল্পনা থাকলেও কেন্দ্রীয় নেতাদের সম্মতি পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা মহানগর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে চলতি মাসেও সদস্য সংগ্রহ অভিযানের শুরু নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চিয়তা।

এব্যাপারে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ¦ আনোয়ার হোসেন নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডিকে জানান, ‘চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই দলীয় সদস্য অভিযান আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু করার পরিকল্পনা থাকলেও রোহিঙ্গা সমস্যা, আসন্ন দূর্গোৎসব উপলক্ষে উদ্বোধনীতে অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতাদের সম্মতি পাওয়া যাচ্ছে না। আলোচনা চলছে। অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতাদের সম্মতি পাওয়ার পরেই দিনক্ষন নির্ধারন করা হবে।’

অপরদিকে, দলকে সুসংগঠিত করতে রাজপথে থেকে যখন মামলা হামলার শিকার হচ্ছেন দলীয় শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীরা, ঠিক তখনই দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলাকারীদের সন্ধান পেয়েছেন মহানগর বিএনপির গৃহবন্দি দুই নেতা। যার মধ্যে মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. আবুল কালাম দলের বাইরে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী নেতাকর্মীদের দায়ভার না নেয়ার বিষয়ে স্পষ্ট ভাষায় নিজের অবস্থানের কথা নেতাকর্মীদের জানিয়ে দিয়েছেন। আর সেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে যদি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কোন ব্যবস্থা নেয়া না হয়, তাহলে মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক এটিএম কামাল দল থেকে পদত্যাগ করার ঘোষণা দেন।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মহানগর ১৩ নং ওয়ার্ডে দলীয় নতুন সদস্য সংগ্রহ অনুষ্ঠানে মহানগর বিএনপির শীর্ষ এই দুই নেতা দলের ভিতরে থাকা বিশৃঙ্খলাকারীদের বিষয়ে নিজেদের মনোভাব ব্যক্ত করেন।

কিন্তু বিএনপির মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী মূলত কারা? এই ব্যাপারে স্পষ্ট করে কেউ কিছু না বলায় নানা প্রশ্নের উদ্রেগ হয়েছে নেতাকর্মীদের মাঝে। মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মাকুসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস পোষ্ট করে বিএনপির মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী কারা তা জানতে চেয়েছেন মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সেক্রেটারীর কাছে।

তবে শুধু খোরশেদই নয়, বিএনপির অন্যন্য নেতাকর্মীরাও দলের মধ্যে থাকা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের চিনার স্বার্থে নাম প্রকাশের আহবান জানিয়েছেন শীর্ষ নেতৃবৃন্দদের কাছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here