নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের সময় রাধজানীর রাজপথে মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. আবুল কালাম আর সাধারন সম্পাদক এটি এম কামাল নাশকতার মামলার আসামী হয়ে আত্মগোপনে থাকলেও দলীয় চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে রায়ের প্রতিবাদে অদৃশ্য বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন তারা।
শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারী) বাদ জুম্মা কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নগরীর কালীরবাজারস্থ দেলোয়ার টাওয়ার সংলগ্ন এলাকায় মহানগর বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রেরিত বিবৃতিতে দাবী করেন তারা।

মহানগর বিএনপির ঘরকুনো সভাপতি এড. আবুল কালামের সভাপতিত্বে যেখানে বক্তব্য রাখেন নাশকতার মামলায় পলাতক আসামী মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক এটিএম কামালসহ অনেক নেতাকর্মী।

মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ এড. আবুল কালাম বলেছেন, রাজনীতি ও নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে মিথ্যা মামলার ধু¤্রজালে রেখে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়া হয়েছে। এ রায় দেশের জনগণ কোনোদিন গ্রহণ করবে না। আমরা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছি, আমাদের মূল উদ্দেশ্য দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করা। কোন নৈরাজ্য নয়।

মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে রায় হয়েছে সেটা প্রতিহিংসা পূরণের রায়। একদলীয় শাসনকে দীর্ঘায়িত করার জন্য এই রায় দেয়া হয়েছে। এই রায় গণবিরোধী, শুধুমাত্র একজনকে খুশি করার জন্য এই রায় দেয়া হয়েছে, এখানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শুধু তাই না এ রায়কে কেন্দ্র করে কয়েকদিন যাবৎ সরকার দেশে যুদ্ধাবস্থা তৈরি করে রেখেছে। দেশের পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল ও রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস করছে। আমরা এই রায়ের প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আওলাদ হোসেন, বিএনপি নেতা এড. আনিছুর রহমান মোল্লা, সাবেক জেলা ছাত্রদল সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু সহ অনেকে।

অথচ, খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, শুক্রবার সকাল থেকেই নাকি এড. আবুল কালামের কালীরবাজারস্থ বাস ঘিরে রেখেছিল র‌্যাব-পুলিশ। আর মুঠোফোন বাসায় রেখে আত্মগোপনে রয়েছেন এটিএম কামাল।

তাহলে কিভাবে প্রকাশ্য সড়কে মহানগর বিএনপির নেতারা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন, তা নিয়ে নানা প্রশ্নের উদ্রেগ হয়েছে তৃণমূলে। কেউ কেউ মন্তব্য করেন, আসলে নিজেদের কুর্দি টিকিয়ে রাখতে মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সেক্রেটারী অদৃশ্য বিক্ষোভ করেছেন। যা শুধু তারাই করেছেন, তারাই দেখেছেন!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here