নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: মৃন্ময়ী থেকে আনন্দময়ীর রূপদান পর্ব। ঢাকে পড়েছে কাঠি। আলো-সানাই আর ঢাকের তালে বৈদিক ধর্মাবলম্বী হিন্দু নারী-পুরুষ-শিশু-কিশোরদের প্রাণে এখন শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ শিহরণ।
সনাতন বিশ্বাসে, কৈলাশ শিখর ছেড়ে পিতৃগৃহে আসা দূর্গার অকাল বোধন আজ। শুভ মহালয়ায় যাকে আহ্বান করা হয়েছে মর্ত্যধামে, মঙ্গলবার সায়ংকালে তার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

আজ মহাষষ্ঠী। বাপের বাড়ীতে উমা মর্তে প্রথম পা রাখলেন। চলছে মাকে বোধনের নানা আচার অনুষ্ঠান। বোধনের পর অধিবাস। আগমনীর সুরে উৎসবের সূচনা। সেই সূচনা লগ্নে গা ভাসিয়েছে নারায়ণগঞ্জের সনাতন ধর্মালম্বীরা।

সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকেই মহাষষ্ঠী তিথি শুরু হয়ে গেছে। দু’দিন ব্যাপী মহাষষ্ঠী হওয়ার কারনে এদিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশনে নানা আচারে মা দূর্গার বোধন অনুষ্ঠিত হয়। আর মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সকল মন্ডপে হবে মহাষষ্ঠী পূজা।

মহাষষ্ঠী মানে সপরিবারে উমার পিতৃগৃহে আগমনের দিন। বোধনে আজ খুলে যাবে তার আয়ত চোখের পলক। অসুর বধে চক্র, গদা, তীর-ধনুক, খড়গ-কৃপাণ-ত্রিশুল হাতে দেবী হেসে উঠবেন। ধূপের ধোঁয়ায় সায়ংকালে ঢাক-ঢোলক-কাঁসর মন্দিরার নিনাদ আর পুরোহিতদের ভক্তিকণ্ঠে ‘যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেন সংস্থিতা, নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নম:’ মন্ত্রোচ্চারণের ভেতর দূর কৈলাশ ছেড়ে দেবী পিতৃগৃহে আসবেন নৌকায় চড়ে।

এদিন বিল্ববৃক্ষের তলায় দেবীর আরাধনা হবে। গণেশ, কার্তিক, লক্ষ্মী, সরস্বতী। সপরিবারে একরাত সেখানেই থাকবেন মা দূর্গা। বুধবার সপ্তমীর সকালে রীতিমত শুচিশুদ্ধ হয়ে পা দেবেন বাপের বাড়ীতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here