নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: কলাবউকে স্নান করিয়ে মন্ডপে স্থাপন, নবপত্রিকা প্রবেশ, চক্ষুদান আর ষোড়শ উপাচারে (ষোল উপাদানে) চন্ডপাঠ আর ভক্তদের মাতৃবন্দনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে শারদীয় দূর্গোৎসবের দ্বিতীয় দিন মহাসপ্তমী বিহিত পূজা।
বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬ টায় নগরীর মন্ডপ গুলোতে শুরু হয় মহাসপ্তমী বিহিত পূজা। নয়টি উদ্ভিদের অধিষ্টাত্রী দেবী নবপত্রিকার স্থাপন করা হয় মন্ডপে। নয়টি উদ্ভিদ আসলে দেবী দূর্গার নয়টি বিশেষ রূপের প্রতীকরূপে কল্পিত হয়। এগুলি হল: কদলী বা রম্ভা (কলা), কচু, হরিদ্রা (হলুদ), জয়ন্তী, বিল্ব (বেল), দাড়িম্ব (ডালিম), অশোক, মান ও ধান।

শহরের নিতাইগঞ্জ শ্রীশ্রী বলদেব জিউর আখড়া ও শিব মন্দিরের পুরোহিত শ্রী পঙ্কজ চক্রবর্তী জানান, একটি সপত্র কলাগাছের সঙ্গে অপর আটটি সমূল সপত্র উদ্ভিদ একত্র করে একজোড়া বেল সহ শ্বেত অপরাজিতা লতা দিযয়ে বেঁধে লালপাড়া সাদা শাড়ী জড়িয়ে ঘোমটা দেওয়া বধূর আকার দেওয়া হয়। তারপর তাতে সিঁদুর দিয়ে সপরিবার দেবী প্রতিমার ডান দিকে দাঁড় করিয়ে পূজা করা হয়।

এরপর ত্রিনয়নী দেবী দুর্গার চক্ষুদান করা হয়। একই সঙ্গে দেবীকে আসন, বস্ত্র, নৈবেদ্য, স্নানীয়, পুষ্পমাল্য ও চন্দন দিয়ে পূজা করা হয়।

অপরদিকে, চলে চন্ডীপাঠ। ঢাক কাসার ঘন্টা শঙ্খের সাথে উলুধ্বনির শব্দে মুখরিত হয়ে উঠে পূজা মন্ডপ গুলো। দুপুরে দেবী দূর্গার চরনে পুষ্পাঞ্জলী প্রদান করেন মাতৃবন্দনায় মত্ত ভক্তরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here