নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: সিদ্ধিরগঞ্জ থানার একটি নাশকতার মামলায় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের রিমান্ড ও জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ুন কবিরের আদালতে রিমান্ড ও জামিন শুনানী হয়। আসামী পক্ষে শুনানীতে অংশ নেন অ্যড. সাখাওয়াত হোসেন খান, অ্যাড. হুমায়ুন কবির ও অ্যাড. খোরশেদ আলম মোল্লাসহ জাতীয়তাবাদী আইজীবী ফোরামের বেশ কয়েকজন আইনজীবী।

অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান আদালতকে বলেন, গত ১০ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে সোনারগাঁ থেকে আটক করে তাঁর বিরুদ্ধে একটি নাশকতা মামলা দায়ের করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি আদালতে পাঠায়। আদালত ১ দিনের রিমান্ড দেয়। পরে এই মামলায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারী উচ্চ আদালত মামুন মাহমুদকে এক বছরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এরপর তাঁকে পুলিশ ২৬ ফেব্রুয়ারী আড়াইহাজার থানার অপর একটি নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো ও ৭ দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করে আদালতে। আদালত পুলিশের ওই আবেদন নাকচ করে দেয়।

২৮ ফেব্রুয়ারি বন্দর থানার আরো একটি নাশকতা মামলায় মামুন মাহমুদকে সন্দেহজনক আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো ও রিমান্ডের জন্য আবেদন করে পুলিশ । ওই আবেদনও নাকচ করে দেয় আদালত। উচ্চ আদালতের জামিনে মামুন মাহমুদ ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কারাগার থেকে বের হওয়ার সময় কারাফটক থেকে ফতুল্লা থানা পুলিশ তাঁকে গাড়ীতে তুলে নিয়ে যায় ফতুল্লা থানা হাজতে। ১ মার্চ মামুন মাহমুদকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার একটি নাশকতা মামলায় (নং- ২(২)২০১৮) সন্দেহজনক আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় এবং ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। হয়রানী করার জন্যই পুলিশ উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে মামুন মাহমুদকে একের পর এক মামলায় সন্দেহজনক আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের আবেদন করছেন বলে আদালতকে জানান আইনজীবীরা। শুনানী শেষে আদালত মামুন মাহমুদের রিমান্ড ও জামিন দুটোই না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here