নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: অপরাধী যেই হোক পুলিশ প্রশাসন সবসময়ই নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে। অপরাধীদের জন্য আমরা জিরো টলারেন্স। যারা অন্যায় করে বা খারাপ আচরণ করে তাদের দায় আমাদের না। দুষ্ট লোক সব জায়গায় আছে। আর কারো ব্যাক্তির দায় আমরা বহন করবোনা। তদন্ত কমিটি হবে দ্রুতই এর যথাযথ ব্যবস্থা নিবো। মুক্তিযোদ্ধা এবং সাংবাদিকের সাথে সদর থানার এসআই সাইফুল ইসলামের আপত্তিকর আচরণে যথাযথ ব্যবস্থাগ্রহণ প্রসঙ্গে অভিযোগপত্র প্রদানকালে এসব কথা বলেন জেলার পুলিশ সুপার মঈনুল হক।

মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এসময় উপস্থিত ছিলেন ভোক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সৈয়দ লুৎফর রহমান এবং তারঁই ছেলে সাংবাদিক সৈয়দ সিফাত আল রহমান লিংকন সহ বিভিন্ন সংগঠনের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও নারায়ণগঞ্জে কর্মরত প্রায় ৬০ জন পেশাদার সংবাদকর্মী।

অভিযোগে সাংবাদিক সৈয়দ সিফাত আল রহমান লিংকন উল্লেখ করে, ‘পুলিশ জনতার বন্ধু’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে যথাযথ সম্মানে আপনার সমীপে আমার নিবেদন, আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও পেশাদার সাংবাদিক। গত ৬ই অক্টোবর সকালে আমার বাসা থেকে কিছু নগদ টাকা ও মোবাইল হারানোর ঘটনা ঘটে। যার প্রেক্ষিতে আমার পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ সৈয়দ লুৎফর রহমান বাদী হয়ে সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এ অভিযোগ নিয়ে বারবার যোগাযোগ সত্ত্বেও নানা টালবাহানার পর সোমবার ৬ নভেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম বিষয়টি তদন্ত করতে আসেন এবং সন্দেহজনক আসামীর পক্ষ নিয়ে আমার সামনে আমার পিতার সাথে নানা অশোভন আচরণ করতে থাকেন। আমি এর প্রতিবাদ জানালে আমার পরিচয় পাওয়ার পরও তিনি আমার সাথে একইভাবে আপত্তিকর আচরণ অব্যাহত রাখেন এবং গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করেন।

বিষয়টি তাৎক্ষনিক সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহীন শাহ্ পারভেজ সাহেবকে জানানোর উদ্দেশ্যে তাঁর মোবাইল ফোনে কল করলে তিনি তখনও অশ্লীল মন্তব্য করেন যা মোবাইল ফোনে স্বয়ং ওসি সাহেবের কর্ণগোচর হয়। শুধু এসব করেই তিনি ক্ষান্ত হননি ফিরে যাওয়ার সময় আমার পিতার দায়েরকৃত অভিযোগ পত্রটি আমার মুখের উপর ছুড়ে দিয়ে এবং আমাকে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে তিনি চলে যান। অতএব মহোদয়ের সমীপে বিনীত প্রার্থনা উপরোল্লখিত বিষয়টি সদয় বিবেচনা করত: আপনার অধীনস্ত পুলিশ সদস্য সাইফুল ইসলামের এহেন উদ্যত আচরণে যথাযথ ব্যবস্থাগ্রহনে আপনার সু-মর্জি প্রত্যাশা করছি।

প্রসঙ্গত, শহরের আল্লামা ইকবাল রোড এলাকায় একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তে আসে সদর মডেল থানা পুলিশ এসআই সাইফুল ইসলাম। গত সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টায় উল্লেখিত এলাকায় অভিযোগকারী ও চুরি সন্দেহভাজনকে নিয়ে বসলে পাল্টে যায় চিত্র। র্দীঘদিন টাল বাহানার পরে ঘটনাস্থলে আসলেও, তিনি সন্দেহভাজন চোরের পক্ষে নিয়েই সাফাই গাইতে থাকে। তারপর দারোগা সাইফুল ইসলামকে মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান পুর্বের বিষয়টি আবারো অবগত করে বলেন, আমরা কয়েকবার সামাজিকভাবে চেষ্টা করেছি। গৃহকর্মীকে আপনি একটু জিজ্ঞাসা করুন আর আমার বাসায় এসে রুমগুলি দেখুন। আর আইনানুগভাবে কিভাবে সহায়তা পেতে কি করণিয় আমাকে জানান। একপর্যায়ে আচমকা তেলে বেগুণে জ্বলে উঠে দারোগা সাইফুল। এবং একজন মুক্তিযোদ্ধা বলার পরেও তাঁর সাথে খারাপ আচরণ করে। আর হুমকী দামকী অব্যাহত রাখে।

এমতাবস্থায় সাংবাদিক লিংকন পরিবেশ শান্ত করার চেষ্টা করে। এবং মুক্তিযোদ্ধার সাথে এহেন আচরণ সঠিক নয় যেহেতু আপনার বয়সেও তিনি বড়। আপনিতো দায়িত্বে আসছেন এভাবে রাগান্বিত কেন হচ্ছেন। একথা বলার পরে সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পরে অত:পর সাংবাদিক লিংকনের উপর চড়াও হন তিনি। অকথ্য ভাষায় কথা বলতে থাকে দারোগা সাইফুল ইসলাম। বিষয়টি তাৎক্ষনিক সদর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব শাহীন শাহ্ পারভেজ সাহেবকে জানানোর উদ্দেশ্যে তাঁর মোবাইল ফোনে কল করলে তিনি তখনও অশ্লীল মন্তব্য করেন যা মোবাইল ফোনে স্বয়ং ওসি সাহেবের কর্ণগোচর হয়। শুধু এসব করেই তিনি ক্ষান্ত হননি ফিরে যাওয়ার সময় দায়েরকৃত অভিযোগ পত্রটি ছুড়ে দিয়ে যায়।

তারপর কিছুক্ষন পরেই আবারো সে সন্দেহভাজন চোর ও স্থানীয় কিছু লোকদের ম্যানেজ করে এবং উল্টো মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিককে হয়রানী করার জন্য পরার্মশ দেয় স্থানীয়দের। এসময় সাংবাদিক লিংকন পিছনে গিয়ে শুনে ফেললে তিনি স্থানীয় একজনকে বলেন যা বলেছি সেই কাজটি করেন। এবং আবারো ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, আমি ব. . ছিড়ার জন্য আসছি। তোরে ডাকছি। তোর বাবারে মারসে। আমার একটা ব.. ছিড়া দিমু নে, দেহি পারলে কেউ সোজানি করতে পারে। আমি দারোগা স্ইাফুল, বাড়ি গফর গাঁও। বদমাইস . . . . আমারে চিনোস.. . .. ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here