নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: ‘মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে আর যদি একটি মুসলমানের লাশ পরে তাহলে আমরা চুপ করে বসে থাকবো না। প্রয়োজনে আমরা তৌহিদী জনতা একত্রিত হয়ে ঐ মিয়ানমারের মাটিতে জিহাদ ঘোষনা করবো।’
শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা শহরের ডিআইটি জামে মসজিদের সামনে হেফাজতে ইসলাম নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃর্তক আয়োজিত বিশাল গণ জমায়েতে বক্তারা এসব কথা বলেন।

তারা আরো বলেন, ‘গত ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ২৫ আগষ্ট পর্যন্ত এক বছর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে নিরস্ত্র মুসলমানদের উপর নিষ্ঠুরতম বর্বর হামলা চালিয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ আর খ্রিষ্টানরা আজ এক হয়ে গেছে। বর্তমান জাতিসংঘকে দিয়ে এর সমাধান হবে না। আমরা আলাদা একটি মুসলিম জাতিসংঘ চাই।’

বক্তারা বলেন, সরকার বাহাদুরকে আমরা বলতে চাই আমাদেরকে অস্ত্র দিন আর ট্রেনিং দিন আমরা মোকাবেলা করতে চাই ওই মিয়ানমারের সুচি সরকারকে। আমরা এক একজন আনসার হয়ে মিয়ানমারের মুসলিম ভাইদের পাশে আছি এবং থাকবো। বর্তমানে সীমান্তে আমাদের নারায়ণগঞ্জ থেকে ৫টি টিম তাদের সাহায্য ও সেবায় নিয়োজিত আছেন। সবদিক থেকে আমরা তাদের পাশে থাকবো।’

‘আমরা বাংলাদেশের সরকারকে বলতে চাই সুচি সরকারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করুন।’

বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর রবিবার মিয়ানমার দুতাবাস ঘেরাও কর্মসূচীর ঘোষনা করেন জেলা হেফাজত নেতৃবৃন্দ। পাশাপাশি ওইদিন সকাল ৯ টায় হেফাজতের সকল নেতাকর্মীদের ডিআইটি মসজিদের সামনে অবস্থান করতে আহবান জানানো হয়। ঢাকা যাওয়ার জন্য ওইদিন সকলের জন্য পর্যাপ্ত পরিমান বাস রাখার কথা বলা হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা হেফাজতের মহানগরের সভাপতি মাওলানা মহিবুল্লার সভাপতিত্বে বিশাল এই গণজামায়েতে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ, শহরের নন্দীপাড়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম জামাল উদ্দিন, টানবাজার জামে মসজিদের খতিব মুফতি রশির ইল্লাহ, হাসপাতাল মসজিদের ইমাম মুফতি আবদুল্লাহ, হেফাজতে ইসলামের সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান, মুফতি আবু বক্কর, মুফতি আব্দুল আহাদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

শহর ও এর আশপাশের এলাকার বিভিন্ন মসজিদ থেকে সাধারন মুসল্লিরা মিছিল সহকারে গন জমায়েতে অংশগ্রহন করেন। এ সময় শহরের ডিআইটি থেকে বিশাল জনসমুদ্র শহরের ২নং রেল গেইট এলাকা পর্যন্ত লোকে লোকারন্য হয়ে যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here